৩ কার্তিক ১৪২৪, বৃহস্পতিবার ১৯ অক্টোবর ২০১৭ , ৫:৪৬ পূর্বাহ্ণ
bangla fonts
facebook twitter google plus rss
Somoyer Narayanganj
organic sweets
Laisfita

৭ খুনের মামলা ২ জনের সাক্ষী গ্রহণ, পরবর্তী সাক্ষ্য গ্রহণ ৩১ মার্চ


২৮ মার্চ ২০১৬ সোমবার, ০৯:৩৪  পিএম

নিউজ নারায়ণগঞ্জ


৭ খুনের মামলা ২ জনের সাক্ষী গ্রহণ, পরবর্তী সাক্ষ্য গ্রহণ ৩১ মার্চ

নারায়ণগঞ্জের বহুল আলোচিত সাত খুনের দুটি মামলায় দুইজনের সাক্ষ্য গ্রহণ হয়েছে। সোমবার সকাল সাড়ে ১০টা হতে দুপুর ১টা পর্যন্ত একজন ও দুপুর ২টা থেকে সাড়ে ৩টা পর্যন্ত অপর একজনের সাক্ষ্য গ্রহণ হয়। এদিন সাত খুনের ঘটনায় নিহত কাউন্সিলর নজরুল ইসলামের শশুর শহীদুল ইসলামের সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ধার্য্য থাকলেও সকাল থেকে তিনি সহ আরো ২জন আদালতের বিচারকক্ষের এজলাসে উপস্থিত থাকায় আসামী পক্ষের আইনজীবীদের আপত্তির কারণে এদিন তার সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়নি। আগামী ৩১ মার্চ পরবর্তী সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ধার্য্য করা হয়েছে।

আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট ওয়াজেদ আলী খোকন জানান, নারায়ণগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ সৈয়দ এনায়েত হোসেনের আদালতে সাত খুনের ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃত ২৩জনের উপস্থিতিতে দুইজনের সাক্ষ্য গ্রহণ হয়েছে। এদিন প্রথমে নারায়ণগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট চাঁদনী রূপমের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। সাত খুনের পর তাঁর আদালতে গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে ৪জন ও একজন সাক্ষীর  ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী নেওয়া হয়। দুপুরে সাত খুনে নিহত মনিরুজ্জামানের ছোট ভাই মিজানুর রহমানের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে।

এর আগে সোমবার সকালে কঠোর নিরাপত্তায় ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার ও কাশীমপুর কারাগার থেকে ২৩ আসামীকে নারায়ণগঞ্জ আদালতে হাজির করা হয়। আদালতে উপস্থিত ২৩ আসামী ও পলাতক ১২ আসামীর পক্ষের আইনজীবীরা ওই দুইজন সাক্ষীকে ব্যাপক জেরা করেন।

জানা গেছে, সাত খুনের ঘটনায় গ্রেপ্তার রয়েছেন ২৩ জন। পলাতক ১২ জন। সাত খুনের ঘটনায় দুটি মামলা হয়। একটি মামলার বাদী বিজয় কুমার পাল হলেন নিহত অ্যাডভোকেট চন্দন সরকারের মেয়ে জামাতা ও অপর বাদী সেলিনা ইসলাম বিউটি হলেন নিহত নজরুল ইসলামের স্ত্রী।
 
দুটি মামলাতেই অভিন্ন সাক্ষী হলো ১২৭জন করে। একারণে উভয় মামলার সাক্ষীদের একই সঙ্গে দুই মামলায় জেরা করা হয়।
 
প্রসঙ্গত ২০১৪ সালের ২৭ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলাম, তার বন্ধু মনিরুজ্জামান স্বপন, তাজুল ইসলাম, লিটন ও গাড়িচালক জাহাঙ্গীর আলম এবং আইনজীবী চন্দন কুমার সরকার ও তাঁর গাড়িচালক ইব্রাহীম অপহৃত হন। পরে ৩০ এপ্রিল শীতলক্ষ্যা নদী থেকে ছয়জনের ও ১ মে একজনের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
 
তদন্ত শেষে প্রায় এক বছর পর গত ৮ এপ্রিল নূর হোসেন, র‌্যাবের সাবেক তিন কর্মকর্তাসহ ৩৫ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ। কিন্তু অভিযোগপত্র থেকে পাঁচ আসামিকে বাদ দেওয়ায় এবং প্রধান আসামি নূর হোসেনের জবানবন্দি ছাড়া অভিযোগপত্র আদালত আমলে নেওয়ায় ‘নারাজি’ আবেদন করেন সেলিনা ইসলাম বিউটি। আবেদনটি ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ও জজ আদালতে খারিজ হয়ে গেলে বিউটি উচ্চ আদালতে যান। হাই কোর্টের আদেশে বলা হয়, পুলিশ চাইলে মামলাটির ‘অধিকতর তদন্ত’ করতে পারে এবং ‘হত্যার ষড়যন্ত্র ও পরিকল্পনার’ ধারা যুক্ত করে নতুন করে তদন্ত প্রতিবেদন দিতে পারে।
 
গত ৮ ফেব্রুয়ারি সাত খুনের দুটি মামলায় নূর হোসেন ও র‌্যাবের সাবেক তিন কর্মকর্তাসহ ৩৫ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। এ মামলায় নূর হোসেন ও র‌্যাবের সাবেক তিন কর্মকর্তাসহ মোট ২৩ জন কারাগারে আটক রয়েছেন। আর চার্জশিটভুক্ত আসামিদের মধ্যে এখনো ১২ জন পলাতক রয়েছে।


নিউজ নারায়াণগঞ্জ এ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।

আপনার মন্তব্য লিখুন:

Shirt Piece
মহানগর -এর সর্বশেষ