লাশ ধরছে না প্রিয়জন, মানবিকতা হারাচ্ছে মানুষ

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট || নিউজ নারায়ণগঞ্জ ০৮:৫৫ পিএম, ২৭ এপ্রিল ২০২০ সোমবার

লাশ ধরছে না প্রিয়জন, মানবিকতা হারাচ্ছে মানুষ

প্রাণঘাতি এক ভাইরাসের নাম হলো করোনা ভাইরাস। আর এই ভাইরাস লন্ডভন্ড করে দিয়ে যাচ্ছে মানবজীবকে। তার ভয়াল থাবায় মানবিকতা হারিয়ে ফেলছে মানুষ। কেউ কারও কোনো সহযোগিতায় এগিয়ে আসছেন না। হৃদয়হীনের মতো জীবনের শেষ বিদায়বেলাতেও কেউ এসে পাশে দাঁড়াচ্ছেন না। যাদের সাথে জীবনের অনেকটা ব্যয় করেছিলেন তারাও শেষ মুহূর্তে এসে স্বার্থপরের মতো আচরণ শুরু করেছেন। ঠিক এমনই অসংখ্য ঘটনা ঘটে চলছে প্রতিনিয়ত চারপাশ জুড়ে। আহাজারি করেও কাউকে পাশে পাওয়া যাচ্ছে না।

সূত্র বলছে, প্রাণঘাতি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে নারায়ণগঞ্জে প্রথম মৃত্যু হয় গত ২৯ মার্চ। এরপর থেকেই নারায়ণগঞ্জে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েই চলছে। সেই সাথে মৃত্যুর সংখ্যাও বাড়তে শুরু করেছে। প্রায় প্রতিদিনই তিন থেকে চারজন করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা যাচ্ছেন। আর এই মৃত্যুর অন্যতম ভয়াবহ দিক হচ্ছে কেউ কাছে ঘেঁসতে চান না। যদিও চিকিৎসকরা বলছেন মৃত ব্যক্তির সাথে ভাইরাস থাকা কিংবা সংক্রমনের কোনো সম্ভাবনা নেই।

তারপরেও সংক্রমনের শঙ্কায় কেউ মৃত ব্যক্তির ধারে কাছে কেউ ঘেঁষছেন না। সহপাঠিরা তো দূরের কথা এমনকি আত্মীয় স্বজনরাও কাছে আসছেন না। লাশ দাফন কাফন ও সৎকারে কেউ অংশগ্রহণ করছেন না। সেই সাথে ধর্মীয় রীতি নীতির কোনো ধারধারি হচ্ছেন না। দূর থেকেই স্বেচ্ছাসেবীদেরকে বলা হচ্ছে লাশ নিয়ে কাফন দাফন কিংবা সংকার করে ফেলার জন্য। ঠিক এমনই অসংখ্য ঘটে চলছে সারা নারায়ণগঞ্জজুড়ে। প্রাণঘাতি করোনা ভাইরাসের আক্রমনের সাথে সাথে মানুষের মধ্যে থেকে মায়া মমতা যেন উধাও হয়ে গেছে।

জানা যায়, গত ২৫ এপ্রিল সিটি কর্পোরেশনে ১০ নং ওয়ার্ডের এক বৃদ্ধা করোনা উপসর্গ নিয়ে মারা যান। কিন্তু তার মৃত্যু খবর শুনে এলাকার কেউ এগিয়ে আসেন নি। এমনকি পরিবারের লোকজনও সংক্রমনের ভয়ে কাছে আসছিলেন না। পরে বিষয়টি জানতে ১০নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ইফতেখার আলম খোকন নিজে ছুটে যান সেই বাড়িতে। লাশ দাফন কাফনের ব্যবস্থা করেন তিনি। কিন্তু লাশ দাফনে নিয়ে যাওয়ার জন্য একটি ভ্যান ঠিক করা হলে সেই ভ্যান চালক করোনার কথা শুনে পালিয়ে যান। ফলে কাউন্সিলর নিজেই ভ্যান চালিয়ে লাশ নিয়ে দাফন করেন।

ঠিক এমনই একটি হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটেছে ২৬ এপ্রিল। এদিন দুপুরে করোনা উপসর্গ নিয়ে নিজ বাসার সিড়িতেই মারা যান খোকন সাহা। খোকন সাহা নারায়ণগঞ্জ শহরের গলাচিপা এলাকায় একটি বাড়ির চতুর্থ তালায় বৃদ্ধা মা, স্ত্রী ও দুই মেয়েকে নিয়ে থাকতেন। বেশ কয়েকদিন যাবৎ অসুস্থ ছিলেন। এর মধ্যেই অবস্থা গুরুতর হয় তাঁর। হাসপাতালে নেওয়ার জন্য ফোন করে আত্মীয়-স্বজন ও পাড়া প্রতিবেশীদের ডাকতে থাকেন স্ত্রী তৃশা সাহা। কিন্তু কেউ এগিয়ে আসেননি। বাধ্য হয়ে শ্বাশুরির সহযোগীতা নিয়ে নিজেই হাসপাতালে নেওয়ার জন্য সিড়িতে করে নামতে থাকেন। কিন্তু অসুস্থ শরীর সিড়ি বেয়ে নামার ধকল নিতে পারেনি। তিন তালাতে নামার পরেই শরীর ছেড়ে দেয়।

খোকন সাহার স্ত্রী তৃশা সাহা নিউজ নারায়ণগঞ্জকে বলেন, ‘অ্যাম্বুলেন্স রাস্তায় আছিল। আমরা নিচে নামানোর চেষ্টা করতাছিলাম। অ্যাম্বুলেন্স দিয়া আমরা ঢাকা নিয়া যাইতাম। সবাইরে ডাকছি একটা লোকও আসে নাই। কেউ নাকি ধরবে না। আমি আমার শ্বাশুরি আর আমার মেয়ে ধইরা নামানোর চেষ্টা করি। তিন তালার ভাড়াটিয়ার কাছে আমার মেয়ে পানি চাইছিল। ধমক দিয়ে দরজা বন্ধ করে দিছে।’

সিঁড়িতে যখন খোকন সাহা ছটফট করছিলেন তখন সন্তানের এমন অবস্থা দেখে বৃদ্ধা মা দৌড়ে চার তালায় গিয়ে পানি নিয়ে আসেন ছেলেকে খাওয়ানোর জন্য। মুখে সামান্য পানি দেওয়া মাত্র সেখানেই প্রাণ যায় খোকন সাহার। এরপর প্রায় তিন ঘন্টা সেখানেই পড়ে ছিলেন। আত্মীয় স্বজন পাড়া প্রতিবেশি কেউ এগিয়ে আসেনি।

এদিকে করোনার ভয়ে কেউ এগিয়ে না এসে তাঁদের আত্মীয়রা ফোন করে খবর দেন নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ১৩নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মাকসুদুল আলম খন্দকার খোরশেদকে। কাউন্সিলর খোরশেদকে যখন ফোন করা হয় তখন তিনি মাসদাইর কবরস্থানে করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত এক ব্যক্তির লাশ দাফনে ব্যস্ত ছিলেন। সেই আত্মীয়ের কাছে অনুরোধ করেছিলেন যাতে তাঁরা ব্যবস্থা করে। কিন্তু তাঁর অনুরোধেও কেউ এগিয়ে আসেননি।

কয়েক ঘণ্টা পর আবারো ফোন করা হলে কাউন্সিলর খোরশেদ তাঁর স্বেচ্চাসেবী টিম নিয়ে ছুটে যান মৃতের সৎকারে। স্বেচ্ছাসেবী দলের সাহায্যে সিঁড়িতে পড়ে থাকা লাশ নামিয়ে নিয়ে আসেন। নিজেদের গাড়ি দিয়ে শ্মশান পর্যন্ত নিয়ে আসেন লাশ। আত্বীয়-স্বজনদের মধ্যে কেউ এগিয়ে না আসেননি। যে কারণে মুখে আগুন (মুখাগ্নি) দেওয়ার দায়িত্বও পড়ে কাউন্সিলর খোরশেদের কাঁধে। কাউন্সিলর খোরশেদও সেই দায়িত্ব সাদরে গ্রহণ করেন। লাশ নিয়ে চলে আসার সময় নিহতের স্ত্রীকে কথা দিয়ে আসেন যে যথাযথ সম্মানের সাথেই তাঁর সৎকার করবেন তিনি।

খোকন সাহার সৎকার প্রসঙ্গে তাঁর স্ত্রী তৃশা সাহা নিউজ নারায়ণগঞ্জকে বলেন, ‘আমাদের আত্মীয় স্বজন পাড়া প্রতিবেশি কেউ আসে না, কেমং যায় না ধরে না। আমি কার ভরসায় করুম? আমার তো ছেলে নাই। যাদের ছেলে নাই তাঁদেরটা তো আত্মীয়রাই করে কিন্তু আমার তো কেউ যায় নাই। তাই কাউন্সিলর ভাইকে বলছি যে তিনি যাতে সব করে।’

এদিকে গত ১৯ এপ্রিল রোববার নারায়ণগঞ্জের ইউনানি চিকিৎসার পথিকৃৎ ডা. কৈলাশ বনিক করোনা উপসর্গ নিয়ে মারা যান। তিনি ১০ দিন যাবৎ জ্বর, সর্দি, কাশি ও গত তিন দিন ধরে স্বাস কষ্টে ভুগছিলেন। তার কোনো ছেলে সন্তান ছিল না। এমতাবস্থায় কোনো আত্মীয় স্বজনও এগিয়ে আসেননি মৃতদেহ সৎকারে। ফলে কাউন্সিলর মাকছুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ এগিয়ে আসেন মৃতদেহ সৎকারের জন্য। এটা তাদের ১৪ তম সৎকার ছিল।

যার ধারাবাহিকতায় এদিন সকল কাজ ভালভাবে সম্পœ হলেও শেষ পর্যায়ে মুখাগ্নি করার জন্য কোনো আত্মীয় স্বজন ছিল না। পরবর্তীতে বাধ্য হয়েই কাউন্সিলর মাকছুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ ডা. কৈলাশ বনিকের মেয়েকে নিয়েই মুখাগ্নির কাজটি সম্পœ করেছেন। যদিও হিন্দু ধর্মানুযায়ী মৃতের সন্তান এই কাজটি করে থাকেন। সন্তানের অভাবে মৃতের অভিভাবক, কনিষ্ঠ বা জ্যেষ্ঠ ভ্রাতা, ভাইপো, বোনপো, জামাতা, সখা অথবা সন্তানতুল্য অথবা সামসাময়িক আত্মীয়ের মধ্যে যে কেউ একজন এসে মৃতের মুখাগ্নি করে থাকেন। কিন্তু এখানে কেউই ছিলেন না।

একই দিনে ঢাকার কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান সিপিবি’র নারায়ণগঞ্জ মহানগরের সদস্য ও ১৪ নম্বর ওয়ার্ড সেক্রেটারি বিকাশ সাহা।

বিকাশ সাহার ছেলে অনির্বাণ সাহা বলেন, ‘বাবা করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন শুনে আত্মীয় স্বজন কেউ আসেনি। আমার একার পক্ষে বাবার মরদেহ দাহ করা সম্ভব ছিল না। কারণ দাহ করতে অনেক নিয়ম-কানুন আছে। এতো কিছু আমি একা কীভাবে করবো। আর কেউ এগিয়েও আসছিল না। তাই খোরশেদ কাকাকে খবর দিই, তিনি এসে সহযোগিতা করেন।’

এর আগে গত ১০ এপ্রিল নন্দীপাড়া ডিএন রোড এলাকার করোনা হিন্দু সম্প্রদায়ের এক লোক মৃত্যুবরণ করেন। কিন্তু এখানেও সংক্রমনের ভয়ে কেউ এগিয়ে আসেন নি। তার আত্মীয় স্বজনদেনও মধ্যেও কেই এগিয়ে আসেন নি। সংশ্লিষ্ট ১৪ ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোঃ সফিউদ্দিন প্রধান ডাকাডাকি করেও কাউকে পাননি। পরবর্তীতে তিনি নিজেই ভ্যানে করে নিয়ে মাসদাইর শশ্মান নিয়ে সৎকারের ব্যাবস্থা করেন।

তার আগে কাউন্সিলর মাকছুদুল আলম খন্দকার খোরশেদের লাশ দাফনের ঘোষণার দেয়ার পর পরই গত ৮ এপ্রিল ঘটে যায় এক ভয়ংকর চিত্র। কারণ সেদিন করোনা সন্দেহে মারা গেছে খবরে একের পর এক ফোন পেয়ে চারজনকে নিয়ে ছুটে নিজ ওয়ার্ড জামতলায় ছুটে যান স্থানীয় ১৩নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মাকছুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ। সে বাসায় গিয়ে এক হৃদয়বিদারক দৃশ্য দেখা যায়। অন্য রুমে থাকা স্ত্রী আর সন্তানেরা ‘প্রিয়’ বাবার ঘরটি দেখিয়ে দেয় খোরশেদকে বলেন ‘ওই রুমে লাশটি পড়ে আছে নিয়ে যান’।

যাদের বছরের পর বছর লালন পালন করেছেন, যাদের জন্য নিজের শ্রম দিয়ে অট্টালিকা গড়েছেন, ধন সম্পদ বানিয়েছেন বিদায়ের বেলাতে অনেকটা নির্মমতায় বিদায় নিত হলো ৭০ বছর বয়সী আফতাবউদ্দিনকে। পরে খোরশেদ তার সচিব সহ ৪জনকে সঙ্গে নিয়ে লাশ উদ্ধার করেন। নিয়ে যান মাসদাইর কেন্দ্রীয় কবরস্থানে। মাত্র চারজনের উপস্থিতিতে দাফন সম্পন্ন হয় আফতাবউদ্দিনের। সেই ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট হলে হৈ চৈ শুরু হয়।

এর আগের দিন ৭ এপ্রিলও ঠিক সেরকম একটি ভয়ানক ঘটনা ঘটে যায়। প্রচন্ড জ্বর ও ঠান্ডাজনিত রোগে নারায়ণগঞ্জে সঙ্গীত জগতের আলোচিত মুখ ‘হিরো লিসান’ ইন্তেকাল করেন। যাঁর প্রকৃত নাম ছিল খাইরুল আলম হিরো। পরে শহরের দেওভোগ এলাকার বাসা থেকে তার মৃতদেহ একটি অ্যাম্বুলেন্সে উঠানোর চেষ্টা করলে আশেপাশের লোকজনের বাধায় সেটা ফেলে রেখেই চলে যান চালক। ওই সময়ে পরিবারের লোকজনও আসেনি ধরতে। ফলে মৃতদেহ পড়ে থাকে বাড়ির গেটের ভেতরেই।

পরে সিটি করপোরেশনের প্যানেল মেয়র আফরোজা হাসান বিভা, স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মোন্তফা আলী শেখ ও ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশের সহায়তায় লাশ দাফন কাফনের ব্যবস্থা করা হয়। এভাবে একের পর এক ভয়ানক ঘটনা ঘটেই যাচ্ছে সারা নারায়ণগঞ্জজুড়ে। মৃতুকালের কেউ কারও কোনো সহযোগিতায় এগিয়ে আসছেন না। প্রাণঘাতি করোনা ভাইরাসের প্রভাবে দিন দিন মানুষের মানুষের মানবিক মূল্যবোধ লোপ পেয়ে যাচ্ছে।

মানুষের এমন মানুষ্যত্বহীনতা দেখে এই মহা দুর্যোগের সময়ে মানুষকে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর অনুরোধ করে কাউন্সিলর খোরশেদ নিউজ নারায়ণগঞ্জকে বলেন, এইযে আপনারা প্রতিবেশি আত্মীয় স্বজপনরা সারা দিচ্ছে না। এতে মানবিক সংকটের সৃষ্টি হচ্ছে। আমরাও মানুষ আপনারাও মানুষ। আমরা যদি পারি আপনারা কেন পারবেন না।

২৬ এপ্রিল মারা যাওয়া খোকন সাহার প্রসঙ্গ টেনে খোরশেদ বলেন, সেই মেয়ে দুইটির কথা চিন্তা করে দেখেন তাঁদের মনের কি অবস্থা। তাঁর বাবাকে তাঁরা দির্ঘক্ষণ সিড়িতে পড়ে থাকা অবস্থায় দেখেছে। আপনাদের প্রতি অনুরোধ জানাই মাস্ক পড়ে, গ্লাভস পড়ে যে কোনো করোনা রোগীর সেবা করতে পারবেন। কোনো ভয়ের কারণ নাই। দয়া করে আত্বীয় স্বজন পাড়া প্রতিবেশির মৃত্যুর পর তাঁদের সম্মান রক্ষা করেন। হিন্দু মুসলিম কোনো ধর্ম নিয়ে নয়। মানুষের প্রতি মানবতা নিয়ে এগিয়ে আসতে হবে।

এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোারেশনে মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী বলেন, ‘নতুন করোনা ভাইরাসের বিস্তারে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেলে প্রথম দিকে ভয়ে লাশের কাছে কেউ আসতে চাইতেন না। পরিস্থিতি এখন কিছুটা স্বাভাবিক হয়েছে। গত ৭ এপ্রিল সিটি করপোরেশন এলাকায় গিটারিস্ট হিরোর লাশ বাড়িতে পড়েছিল। যখন পরিবারের কেউ এগিয়ে আসেনি তখন সিটি করপোরেশনের মৌলভী আফজাল হোসেন প্রথম গোসল করায়। পরবর্তীতে সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তাদের সহযোগিতায় লাশ দাফন করা হয়। এরপরই কাউন্সিলর খোরশেদকে বলি কবরস্থানে দাফন ও শ্মশানে দাহের জন্য টিম প্রস্তুত করেন কারণ আমাদের এ কাজগুলো করতে হবে। মানুষ লাশ ধরতে চাইছে না। একইভাবে ২৭টি ওয়ার্ডকে একই নির্দেশনা দেয়া হয়। যার ধারবাহিকতায় প্রতিটি ওয়ার্ডে দাফন ও দাহের জন্য কমিটি হয়েছে। কাউন্সিলররা সেইসব কাজ করে যাচ্ছেন। আর তাদের সকল ধরনের সাপোর্ট সিটি করপোরেশন দিয়ে যাচ্ছে।’


বিভাগ : ফিচার


নিউজ নারায়ণগঞ্জ এ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।

আরো খবর
এই বিভাগের আরও