ক্রমশ জনসমাগম বাড়ছে শহরে

স্পেশাল করেসপনডেন্ট || নিউজ নারায়ণগঞ্জ ০৮:২২ পিএম, ৩০ মার্চ ২০২০ সোমবার

ক্রমশ জনসমাগম বাড়ছে শহরে

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে নারায়ণগঞ্জ শহরের সকল ধরনের গণপরিবহন, জনসমাগম, দোকান বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে সরকার। কিন্তু ঘোষণার চারদিন না যেতেই আবারও রাস্তা চলতে শুরু করেছে ছোট বড় যানবাহন, খুলতে শুরু করেছে দোকান ও বঙ্গবন্ধু সড়কেও জনগনের আনাগোনা ছিল চোখে পরার মতো। তবে মূল সড়কের তুলনায় প্রতিটি অলিগলির দোকান, জনসমাগম ও রিকাশা চলাচল বেশি ছিল। তবে অলিগলিতে প্রশাসনের কোন অভিযান এখনও পর্যন্ত দেখা যায়নি। যার ফলে এমন সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করছে বলে দাবি সচেতন নগরবাসী।

৩০ মার্চ সোমবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত শহরের চাষাঢ়া গোল চত্ত্বর এলাকায় সরেজমিনে দেখা গেছে, গত কয়েকদিনের তুলনায় জনসমাগম বেশি ছিল। রিকশা, অটোরিকশা, সিএনজি, প্রাইভেটকার ও ট্রাক চলাচল বেশি ছিল। এছাড়াও চায়ের দোকান, টঙ দোকান সহ বেশ কয়েকটি খাবার দোকানও খোলা থাকতে দেখা যায়। যেখানে মানুষের উপস্থিতিও ছিল চোখে পড়ার মতো।

নূর মসজিদের সামনে ডাব বিক্রেতা আবু হানিফ বলেন, তিনদিন আগে ডাবগুলো এনেছি। কিন্তু এখনও বিক্রি করতে পারিনি। এগুলো থেকে গেলে নষ্ট হয়ে যাবে। তখন কেউ কিনবে না। আমরা অনেক বড় ক্ষতি হয়ে যাবে। এমনিতে তিনদিনে কোন ইনকাম নেই। জমানো টাকা খরচ করে চলছি। আজকে কিছু না করলে না খেয়ে থাকতে হবে।’

সরকারি ভাবে ত্রাণ দেওয়া হচ্ছে ? তিনি বলেন, ত্রাণ এর তালিকায় আমাদের নাম নেই। তাই আমরা এসব কোন সহযোগিতা পাচ্ছি না। শুধু যে বাসার খাবারের সমস্যা তা নয় সঙ্গে বাসা ভাড়াও আছে। এতো গুলো খরচ তো আর বাসায় বসে থাকলে আসবে না। তাই বাধ্য হয়ে নেমেছি।

ফ্লাক্সে করে চা বিক্রেতা করিম মিয়া বলেন, দিন এক ফ্লাক্স চা বিক্রি করলে ২০০ টাকা উপার্জন হয়। কিন্তু আজকে সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত এক ফ্লাক্স চাও বিক্রি করতে পারিনি। এভাবে চললে তো না খেয়ে মরতে হবে।

করিম মিয়া বলেন, সরকার কাদের দিচ্ছেন আমি জানি না। আমরা পাইনি। তাই ঘর থেকে বের হতে হয়েছে।


বিভাগ : মহানগর


নিউজ নারায়ণগঞ্জ এ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।

আরো খবর
এই বিভাগের আরও