আবারো মুখরিত শহীদ মিনার

স্টাফ করেসপনডেন্ট || নিউজ নারায়ণগঞ্জ ০৯:০৬ পিএম, ১৭ মে ২০২০ রবিবার

আবারো মুখরিত শহীদ মিনার

করোনাভাইরাসের বিস্তার রোধে গত ৫ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন এলাকা, সদর ও বন্দর উপজেলা লকডাউন ঘোষণা করা হয়। লকডাউনের পর পরই শহরে প্রবেশে কড়াকড়ি আরো করে প্রশাসন। নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয় চাষাঢ়ায় অবস্থিত শহীদ মিনারের মত জনবহুল জায়গাগুলো।

তবে সম্প্রতি লকডাউন শিথিল করে মার্কেট, বিপনীবিতানগুলো খোলার অনুমতির পর মানুষের আগমণ ঘটছে। শহরে আসা অনেক মানুষ শহীদ মিনারের গাছের ছায়ায় বসে জিরিয়ে নিচ্ছেন। প্রায় ৪০দিন জনশূন্য থাকার পর আবারো পদচারনায় মুখরিত হচ্ছে নারায়ণগঞ্জ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার।

১৭ মে দেখা যায় কেনাকাটা করতেও অনেকে শহরমুখী হচ্ছেন। রোদ থেকে বাঁচতে শহীদ মিনারে এসে আড্ডা দিচ্ছেন। অনেক মার্কেটের বিক্রয়কর্মী (সেল্স ম্যান) দুপুরে নামাজ শেষ করে শহীদ মিনারের গাছের ছায়ার নিচে বসে জিরিয়ে নিচ্ছেন। তবে অনেকে অপ্রয়োজনেও শহরে এসে শহীদ মিনারে আড্ডায় মগ্ন হয়েছেন।

এ প্রসঙ্গে বিক্রয় কর্মী সিফাত হোসেন নিউজ নারায়ণগঞ্জকে বলেন, ‘আমি মূলত শিক্ষার্থী। প্রতি বছর রমজান মাসে মার্কেটে সেল্স ম্যান হিসেবে কাজ করি। যেহেতু রোজার মাস তাই দুপুরে নামাজ পড়ে মসজিদেই কিছু সময় জিরিয়ে নিতাম। করোনার কারণে মসজিদে বসতে পারি না। তাই বন্ধুরা মিলে শহীদ মিনারে বসে গল্প করি।’

বাজার করতে শহরে আসা ইমরান হোসেন নিউজ নারায়ণগঞ্জকে বলেন, ‘লকডাউনের আগে যখন শহরে আসতাম শহীদ মিনারে একটু ঘুড়ে যেতাম। লকডাউনের পর থেকে শহীদ মিনার বন্ধ ছিল। এছাড়া লকডাউনের সময় খুব প্রয়োজনে শহরে আসতাম। আবার কাজ শেষ করেই চলে যেতাম। কিন্তু আজকে চাষাঢ়ায় এসে দেখি অনেকেই বসে গল্প করছেন। তাই আমিও ভিতরে আসলাম। অনেক দিন পরে শহীদ মিনারে প্রবেশ করতে পেরে ভালোই লাগছে।’

কেনাকাটা করতে আসা রুনা আক্তার নিউজ নারায়ণগঞ্জকে বলেন, ‘বাচ্চার জন্য কিছু কাপড় কিনতে এসেছি। বাসায় বাচ্চাকে ঘুম পাড়িয়ে দুপুরে এসেছিলাম কারণ বিকেলে ভীড় হতে পারে। কিন্তু নামাজের সময় হয়ে গেছে তাই অনেক মার্কেটে লোক নেই। তাই শহীদ মিনারে বসে অপেক্ষা করছি।’


বিভাগ : মহানগর


নিউজ নারায়ণগঞ্জ এ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।

আরো খবর
এই বিভাগের আরও