নারায়ণগঞ্জ কলেজে লেখাপড়া করেন সোহাগ। ফুটবল শেখার নেশায় নিয়মিত মহসীন ক্লাবের অনুশীলনেও যোগ দেন তিনি। এসবের বাইরে তিনি নতুন একটি পেশাকে বেছে নিয়েছেন। নিজের লেখাপড়ার খরচ জোগাতে প্রতিদিন ৩০০ টাকা রোজে মশক নিধন কর্মী হিসাবে কাজে যোগ দিয়েছেন। তার বাবা শহরের ডনচেম্বার এলাকায় একটি স’মিলে কাজ করেন।
সোহাগের এমন গল্পের কথা নিজের ফেসবুক পোস্টে তুলে রয়েছেন নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ১৩নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর ও ওয়ার্কিং ফর বেটার নারায়ণগঞ্জ এর সমন্বয়ক মাকসুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ।
সোহাগের কর্মময় জীবনের গল্পে মুগ্ধ খোরশেদ নিজেই সোহাগের লেখাপড়া এবং ফুটবল প্রশিক্ষণে সহযোগিতা নিয়ে পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
শনিবার ২৯ নভেম্বর বিকেলে সোহাগের সাথে ছবি তুলে নিজের ফেসবুক আইডিতে খোরশেদ লেখেন, আমার পাশের ছেলেটির নাম সোহাগ। ছেলেটির সাথে আমার পরিচয় মশক নিধন কর্মী হিসাবে। সে আমাদের ১৩নং ওয়ার্ডে দিন প্রতি ৩০০ টাকা রোজে মশক নিধন কর্মী হিসাবে নতুন যোগ দিয়েছে। তার বাবা শহরের ডনচেম্বার এলাকায় একটি স'মিলে কাজ করে। কাজের পাশাপাশি সোহাগ নারায়ণগঞ্জ কলেজের প্রথম বর্ষে পড়ালেখা করে এবং মহসীন ক্লাবে নিয়মিত ফুটবল প্র্যাকটিস করে। সন্ধায় আমার অফিসে খেলোয়াড়দের পোষাকে ঘোরাঘুরি করতে দেখে জানতে পারলাম সে আমাদের টিমে নতুন যোগ দিয়েছে। আজ কলেজ টিমের প্র্যাকটিস করতে করতে সময় হয়ে যাওয়ায় সরাসরি চলে এসেছে। সোহাগ নিজের পড়াশোনা চালানোর জন্য কাজে যোগ দিয়েছে জানালো। এমন একজন আদর্শ কিশোর যে কিনা কাজ করে, নিয়মিত পড়াশোনা করে, আবার সময় করে ফুটবল প্রশিক্ষণ নেয়। তার মত একজনের সাথে ছবি তোলা ও তার কর্মময় জীবন আপনাদের কাছে তুলে ধরার লোভ সামলাতে পারলাম না। সোহাগকে কথা দিয়েছি আমি তার পড়াশোনার খরচ ও ফুটবল প্রশিক্ষণের পাশে থাকবো ইনশাআল্লাহ। আল্লাহ রাব্বুল আল-আমিন ঘরে ঘরে সোহাগের মত সন্তান দিন।








































আপনার মতামত লিখুন :