নারায়ণগঞ্জের হাসপাতালগুলোতে তীব্র গরমের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ডায়েরিয়া ও বিভিন্ন পানিবাহিত রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্কদের মধ্যে এ ধরনের রোগ বেশি দেখা যাচ্ছে।
শহরের সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে ঘুরে দেখা যায় ডায়রিয়া, বমি, পেটের সংক্রমণ এবং জ্বর নিয়ে চিকিৎসা নিতে আসছেন অনেক রোগী।
অতিরিক্ত গরম, দূষিত পানি পান, অস্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণ এবং খাদ্য সংরক্ষণে অসতর্কতার কারণে এ ধরনের রোগ বাড়ছে। ফলে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে রোগীর চাপও তুলনামূলক বেশি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
শহরের খানপুর ৩০০ শয্যা হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রুবেল মিয়া জানান, তার ৭ বছরের ছেলে কয়েকদিন ধরে ডায়রিয়ায় ভুগছে। প্রথমে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নিলেও অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়েছে।
একই ধরনের সমস্যা নিয়ে হাসপাতালে এসেছেন রোকসানা বেগম। তিনি বলেন, আমার আট বছর বয়সী ছোট ছেলে পেটের সমস্যায় আক্রান্ত হয়েছেন। তাকে ডাক্তার দেখাতে নিয়ে এসেছি। হাসপাতালের চিকিৎসকেরা জানান প্রচ- গরমে অনেকেই বাইরে খোলা পরিবেশে বিক্রি হওয়া শরবত, কাটা ফল কিংবা বিভিন্ন খাবার খাচ্ছেন। এসব খাবার অনেক সময় জীবাণুযুক্ত হওয়ায় সংক্রমণের ঝুঁকি বেড়ে যায়। পাশাপাশি দীর্ঘ সময় বাইরে থাকায় শরীরে পানিশূন্যতাও তৈরি হচ্ছে।
সিভিল সার্জন ডা. মশিউর রহমান জানান, আমাদের ভিক্টোরিয়ায় ডায়রিয়ার রোগী বেড়েছে। তবে আমাদের চিকিৎসা চালু আছে, সবাইকে এখানেই চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি ঠান্ডা কাশিরও সমস্যা কিছুটা বেড়েছে। গরমে অপ্রয়োজনে রোদে না ঘুরতে পরামর্শ দেয়া হচ্ছে।
নারায়ণগঞ্জ ৩শ শয্যা হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আবুল বাশার জানান, খানপুরে ডায়রিয়া রোগী নিয়মিত সময়ের চেয়ে কিছুটা বেড়েছে। তবে তেমন প্যানিক হবার কিছু নেই।


































আপনার মতামত লিখুন :