ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও জনসচেতনতা বাড়াতে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসন ও সিটি করপোরেশনের যৌথ উদ্যোগে নিয়মিত র্যালি, খাল ও ড্রেন পরিষ্কার এবং মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব থেকে বাঁচতে প্রতিটি নাগরিকের নিজ নিজ অবস্থান থেকে সচেতন হওয়া অত্যন্ত জরুরি। কিন্তু সিটি কর্পোরেশনের দেওভোগ সিটি পার্কের খালের চারিদিকে ময়লা আবর্জনার ছড়াছড়ি। এতে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত আতংকে রয়েছে দেওভোগ ও বাবুরাইল এলাকাবাসী।
নারায়ণগঞ্জের সৌন্দর্য বৃদ্ধির লক্ষে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ হতে তৈরি পার্কের খাল এখন ময়লার ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে। গৃহস্থালি ও ফাস্টফুড দোকানে ময়লা আবর্জনার ছড়াছড়ি। ২০২২ সালে সিটি কর্পোরেশন খালটির সৌন্দর্য বর্ধন ও উন্নয়ন কাজ সমাপ্ত হয়েছে ঘোষণা করা হয়। তবে বছর না ঘুরতে যেন ময়লা-আবর্জনায় পরিপূর্ণ হয়ে গেছে খালটি। সেইসাথে দুর্গন্ধে মানুষের ভোগান্তি হচ্ছে, দূষিত হচ্ছে পরিবেশ পাশাপাশি মশারও প্রজনন কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে।
অন্তবর্তী ও বিএনপির সরকার আমলেও দেখভাল না থাকায় ব্যয় বহুল অর্থে নির্মিত দেওভোগ সিটি পার্ক ও বাবুরাইল খালটির অধিকাংশই ময়লা-আবর্জনার স্তুূপে পরিণত হয়েছে। পুরো বাবুরাইল ব্রিজ থেকে বাংলাবাজার শেষ সীমানা অধিকাংশ এলাকা পযর্ন্ত খালটিতে আবর্জনার স্তূপ জমে গেছে।
জানা যায়, সড়কে দখল করা দোকানপাট ও স্থানীয় বাসিন্দারা কেউ কেউ ব্যবহার করছে ময়লা ফেলার স্থান হিসেবে। প্লাস্টিকের বোতল, ব্যাগ, গ্যাস ও থালা, কর্কশিট, কলাপাতা, বস্তা ও পলিথিন ব্যাগ, ফাস্টফুডের ময়লা, গৃহস্থালির ময়লা- কী নেই সেখানে। ময়লা-আবর্জনার মধ্যে ওড়াওড়ি করছে মশা-মাছি।
এলাকা সূত্রে জানা গেছে, সিটি পার্কের খালের দুপাশে দাড়িয়ে ছেলেরা আড্ডা দেয়। আবার লেক করার কানো দুপাশে গড়ে ওঠেছে ফাস্টফুড সেই ফাস্টফুডের দোকানের ময়লা তারা খালেই ফেলছে। বিগত সময়ে সরকার আমলে মেয়র থাকায় প্রতি মাসে ময়লা আবর্জনা পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা করা হতো। অন্তবর্তী সরকার আমলে একবার করা হলেও বাকি সময়ে দেখা যায়নি।


































আপনার মতামত লিখুন :