পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে নৌ দুর্ঘটনা এড়াতে শীতলক্ষ্যায় বালুভর্তি ট্রলার ও বাল্কহেড চলাচল নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে স্থানীয় জেলা প্রশাসন। প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে শীতলক্ষ্যা নদীতে বেপরোয়া গতিতে বাল্কহেড চালানোর অপরাধে ২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে নৌ-পুলিশ। ওই সময় অবৈধভাবে চলাচলকারী বাল্কহেডটি জব্দ করা হয়।
ধৃতদের রোববার (২৪ মে) দুপুরে মামলায় আদালতে প্রেরন করা হয়েছে। এর আগে গত রোববার (২৪ মে) রাতে বন্দর উপজেলার কলাগাছিয়া ইউনিয়নের শম্ভুপুরা সংলগ্ন শীতলক্ষ্যা নদী থেকে এদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলো ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলার সরাইল থানার রাণীদিয়া এলাকার আব্দুল মালেকের ছেলে বাল্কহেডের চালক (শুকানি) শফিকুল ইসলাম (৪২) ও সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ থানার লালপুর গ্রামের আলম হোসেনের ছেলে গ্রিজার আফজাল হোসেন (২৪)।
কলাগাছিয়া নৌ ফাঁড়ী উপ পরিদর্শক মকবুল হোসেন বাদী হয়ে ধৃতদের বিরুদ্ধে বন্দর থানায় এ মামলা রুজু করেন।
কলাগাছিয়া নৌ পুলিশ ফাঁড়ির উপ-সহকারী পুলিশ কর্মকর্তা মকবুল হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে সাধারণ মানুষের নৌপথে যাতায়াত নিরাপদ করতে এবং বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে শীতলক্ষ্যা নদীতে সব ধরনের বাল্কহেড চলাচল সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে এবং আইনকে তোয়াক্কা না করে বেপরোয়া গতিতে বাল্কহেডটি চলাচল করছিল। নৌ নিরাপত্তার স্বার্থে তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে শুকানি ও গ্রিজারকে গ্রেফতার এবং বাল্কহেডটি জব্দ করা হয়।
নৌপথে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসন ও নৌ পুলিশের এই অভিযান ঈদ পরবর্তী তিনদিন পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে বলেও জানান এ কর্মকর্তা।































-20260522173818.jpg)




আপনার মতামত লিখুন :