সমগ্র মানব জাতির কল্যাণে মাতৃভাবে কুমারী কন্যাকে জীবন্ত প্রতিমা করে তাতে জগত জননীর উদ্দেশ্যে শ্রদ্ধা নিবেদনে নারায়ণগঞ্জ রামকৃষ্ণ মিশন আশ্রমে অনুষ্ঠিত হলো কুমারী পূজা। শাস্ত্রমতে কুমারী পূজার দিন মা দূর্গার অপর নামে কুমারীর নামকরণ করা হয় অপরাজীতা।
সোমবার সকাল সাড়ে ১০ টা হতে দুপুর ১টা পর্যন্ত নারায়ণগঞ্জ রামকৃষ্ণ মিশনে দূর্গাদেবীর পাশে
কুমারীর আসনে বসেন ৬ বছর ৬ মাস ১৮ দিন বয়সী শ্রেয়সী ভট্টাচার্য। সে শহরের গলাচিপার ডা: সুমন ভট্টাচার্য ও অর্পিতা ভট্টাচার্যের মেয়ে।
১৬ টি উপকরণ দিয়ে পূজার কাজ শুরু হয়। এর মধ্যে অগ্নি, জল, বস্ত্র, পুষ্প ও বাতাস এই
পাঁচ উপকরণ দেয়া হয় কুমারী মায়ের পূজায়। এগুলো দেয়ার পর দেবীর গলায় পুষ্পমাল্য
পরানো হয়। পূজার শেষে প্রধান পূজারী দেবীর আরতি নিবেদন করে দেবীকে প্রণাম করেন।
নারায়ণগঞ্জ রামকৃষ্ণ মিশন আশ্রমের প্রধান মহারাজ বলেন, স্বামী বিবেকানন্দ শারদীয় দুর্গোৎসবে এই কুমারী পূজার প্রচলন করেন। নারী মানে মায়ের প্রতীক। তাই কুমারী পূজা মানে স্বয়ং মাকে পূজা করা। পৃথিবীতে দেবী দুর্গাই সর্বশক্তিমান। তাকে লক্ষ্য করেই কুমারী পূজা করা হয়। একজন কুমারীকে মাতৃজ্ঞানে আমরা পূজা করি।
কুমারি পূজায় অংশ নিতে আশেপাশের বিভিন্ন জেলা থেকে ভক্তবৃন্দরা নারায়ণগঞ্জে আসেন। ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে উৎসবমুখর পরিবেশে পূজা অনুষ্ঠিত হয়।























-20261014113949.jpg)










আপনার মতামত লিখুন :