এক সপ্তাহ ধরে নেপালে অবস্থান করছেন চাষাঢ়ায় গুলি ও ছুরিকাঘাতে নিহত শুভ চন্দ্র দাস ওরফে মো. বিল্লালের হত্যাকারী অনিক ইসলাম ও অহিদ। দুইজনের ছোড়া গুলিতে শুভ হত্যা নিশ্চিত করেন বলে জানিয়েছেন অনিকের ভাই বিষু ও সহযোগী ধিমন।
এক মাস দেশের বিভিন্ন জেলা অবস্থান শেষে নেপালে পাড়ি দেয়া পিছনে থাকা প্রশ্রয় দাতাদের সন্ধানে নেমেছে তদন্তকারী টিম।
শুভকে হত্যা করে বিদেশে পাড়ি দেয়া বুদ্ধিমত্তা নিয়ে সন্দেহ দেখছেন ডিবি। এক মাস যাবৎ গ্রেপ্তার এড়াতে আত্মগোপনে থাকলেও হঠাৎ দেশত্যাগে হত্যাকান্ডে মোড় ঘুরাতে চায়। যার কারণে তদন্ত কাজ থমকে দিতেই অনিক ও অহিদকে দেশের বাহিরে পাঠানো পরিকল্পনা দেখছে।
এদিকে অনিক অহিদের কাছে রহস্য রয়েছে দুই ভাড়াটে খুনি পরিচয়। অনিক অহিদের গ্রেপ্তারে হত্যাকান্ডে আরো আসামীদের সন্ধান ও নিশ্চিত তথ্য অপেক্ষা করছে ডিবি টিম। একই সাথে অনিক ও অহিদের প্রশ্রয়দাতাকে খুজেঁ নেমেছে তদন্তকারী কর্মকর্তা। দুই জনের পার্সপোট সংগ্রহ ও ভিসা নিয়ে ইতোমধ্যে তদন্তে নেমেছে।
জানা যায়, চলতি মাসের ২ সেপ্টেম্বর আমলাপাড়া ফতে’র বাসায় মাদকবিরোধী পুলিশী অভিযানের কারণে শুভকে সন্দেহ করে। এর আগে মাদক ব্যবসা নিয়ে পূর্ব বিরোধ ও গ্রেপ্তারকৃত ফতে বক্তাবলী ঘাটের পাশে ৫ শতক জমি ক্রয় করে। পরবর্তীতে একটি মামলায় জামিনের শর্তে নিহত শুভ সেখান থেকে ৩ শতক জমি নেয়া জের রয়েছে। তিন ঘটনা নিয়ে ফতে’র ছেলে অনিক তাদের প্রতিদ্ব›িদ্ব হিসেবে শুভকে হত্যা পরিকল্পনা করে বাস্তবায়ন করা হয়।
৪ সেপ্টেম্বর গভীর রাতে শুভকে চাষাঢ়া হকার্স মার্কেটে ডেকে এনে ছুরিকাঘাতের পর গুলি করে হত্যা করা হয়। শুভ হত্যার ২৪ ঘন্টা ব্যবধানে ডিবি পুলিশ মাইগ্যা সুমন, সিয়াম ও সোহানকে গ্রেপ্তার করে খুনের জট খুলেন। তাদের প্রাথমিক স্বীকারে অনিক ও অহিদের ছোড়া গুলিতে শুভকে হত্যা নিশ্চিত করা হয়। এর আগে শুভকে এলোপাড়ি ছুরিকাঘাত করে রক্তাক্ত করা হয়। অন্যদিকে মাইগ্যা সুমনের স্বীকারোক্তিতে রামকৃঞ্চ মিশন থেকে অস্ত্র ও মোটর সাইকেল উদ্ধার করে ডিবি।
মাদক ব্যবসা দ্ব›দ্ব নিয়ে শুভ ওরফে বিল্লাকে হত্যা পরিকল্পনা করে বাস্তবায়ন করেন মাদক সম্রাজ্ঞী ফতে ও তার ছেলে অনিক। এতে অর্থদানকারী মাইগ্যা সমুন, সিয়াম, বিষু, সোহান, ধিমন, অনিকের মা ফতে, অনিকের বাবা ইসলাম, অনিকের ভাই শাওনকে গ্রেপ্তার করে ডিবি। এখনো প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী পলাতক রয়েছেন গুলিকারী অনিক, অহিদ, বাহার, রাহাত, ইমন, জয়, সাজ্জাদ সহ দুই ভাড়াটে খুনি।
এক মাস আত্মগোপনে থাকা পর শুভ ওরফে বিল্লালকে গুলি করে প্রধান হত্যাকারী অনিক ইসলাম ও অহিদ গ্রেপ্তার এড়াতে দেশত্যাগ করেন। গত সপ্তাহে নেপালের ভিসা লাগিয়ে দুইজন নেপালে উদ্দেশ্যে পাড়ি জমিয়েছেন। ৪ সেপ্টেম্বর গভীর রাতে নারায়ণগঞ্জ শহরের চাষাঢ়া হকার্স মার্কেটের ফটকে ছুরিকাঘাত ও গুলি করে হত্যা করা হয় মাদক ব্যবসায়ী শুভ চন্দ্র দাস ওরফে মো. বিল্লালকে। হত্যা পর থেকে অনিক ইসলাম ও অহিদ নারায়ণগঞ্জ ত্যাগ করেন। এর আগেই অনিকের পরিবার শহর থেকে বন্দরে পালিয়ে যান।




























-20261014113949.jpg)










আপনার মতামত লিখুন :