নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে জামায়াত-এনসিপি জোটের প্রার্থী অ্যাডভোকেট আবদুল্লাহ আল আমিন বলেছেন, আমরা দলীয় প্রতীকের পাশাপাশি গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছি। শুরুতে অনেকেই বিষয়টি জানতেন না, তবে এখন সবাই বুঝতে পেরেছেন। এই এলাকায় শাপলা কলি ও হ্যাঁ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালানো হচ্ছে এবং মানুষ এতে ইতিবাচক সাড়া দিচ্ছে। আমরা আশা করছি ইনশাআল্লাহ ১২ তারিখ নীরব ভোট বিপ্লবে শাপলা কলি ও হ্যাঁ ভোট একসাথে বিজয়ী হবে।
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) সদর উপজেলার এনায়েতনগর ও কাশিপুর ইউনিয়নে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারণাকালে তিনি এসব কথা বলেন।
আল আমিন বলেন, “গত ১৬-১৭ বছর ভোটাররা প্রকৃত অর্থে ভোট দিতে পারেনি। সেই বাস্তবতা থেকে এবার ভোটারদের মধ্যে ব্যাপক উচ্ছ্বাস দেখা যাচ্ছে। তারা চায় একটি সুষ্ঠু পরিবেশে সুষ্ঠু নির্বাচন হোক, যাতে কেউ সন্ত্রাস বা গায়ের জোরে কেন্দ্র দখল করতে না পারে। আমরা একটি প্রকৃত লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড চাই এবং প্রত্যাশা করি ভোটারদের এই উচ্ছ্বাস ও ভোট বিপ্লবের মাধ্যমে আগামী ১২ তারিখ পরিবর্তনের পক্ষে রায় আসবে ইনশাআল্লাহ।”
পরিবর্তনের রূপরেখা তুলে ধরে আবদুল্লাহ আল আমিন বলেন, “এই পরিবর্তন হবে রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়নের অবসান, নিরাপদ ও প্রগতিশীল নারায়ণগঞ্জ গড়া এবং অবহেলিত জনপদ থেকে সুন্দর আবাসন ও সমৃদ্ধ জনপদের দিকে যাত্রার পরিবর্তন।”
তিনি প্রশাসনের দিকে ইঙ্গিত করে বলেন, “প্রশাসনের প্রতি আমাদের আহ্বান থাকবে, লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করতে যেন তারা কার্যকর ভূমিকা রাখে। কারণ আমরা দেখছি, অনেক প্রার্থী আচরণবিধি লঙ্ঘন করে কোথাও তোরণ নির্মাণ করছে, কোথাও ভোটারদের টাকা দিচ্ছে, আবার কোথাও হুমকি-ধমকির ঘটনাও ঘটছে। বড় অপরাধে লঘুদন্ড দেয়া হচ্ছে।’
সকালে এনায়েতনগরের নয়াবাজার, মুসলিম নগর, এতিমখানা, শাসনগাও, বিসিক মসজিদ, কলাবাগান, পঞ্চবটি, গুলশান রোডে গণসংযোগ করা হয়। বিকেলে কাশিপুর ইউনিয়নের ভোলাইলে উঠান বৈঠক করেন। পাশাপাশি ভোলাইল মিস্টির দোকান, ডাচবাংলা মোড়, আদর্শ নগর, বাশমুলি, দেওভোগ মাদ্রাসা, পূর্বনগর, পশ্চিম নগর, তাতীপাড়া, মুন্সিবাড়ি, আমবাগান, বাংলাবাজার, উজির আলি স্কুল, দেওয়ান বাড়ি এলাকায় গণসংযোগ করা হয়।


































আপনার মতামত লিখুন :