নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে ধানের শীষ নিয়ে দলের ভেতরের একটি গ্রুপ নানা ধরনের অপ তৎপরতায় মেতে উঠেছে। একজন প্রভাবশালী শিল্পপতির তল্পিবাহক একটি গ্রুপ তলে তলে ধানের শীষের বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্থানে ক্যাম্পেইন করতে শুরু করেছে। নারায়ণগঞ্জ শহর ও বন্দরের একাধিক জনপ্রতিনিধিও এতে সম্পৃক্ত। ইতোমধ্যে শহরের কয়েকটি স্থানে তারা গোপন বৈঠকও করেছেন। সেখানে ধানের শীষের আবুল কালামকে চাপে রাখার চেষ্টা করে যাচ্ছে।
বিএনপির একটি সূত্র জানান, নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে আবুল কালাম মনোনয়ন পাওয়ার পরেই একটি গ্রুপ নানাভাবে তাকে চাপে রাখার চেষ্টা করছে। এতে একজন শিল্পপতি নানাভাবে চাপ দিচ্ছেন। বিগত সময়ে ওই শিল্পপতির কাছেই ধর্না দিতেন যারা তাদের ৭ জনের একটি গ্রুপ গত তিনদিনে দুই স্থানে বৈঠক করেছেন।
বৈঠকে বন্দরের চারজন ও শহরের তিনজন ছিলেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন জানান, মূলত বৈঠকে সাত নেতা তাদের কষ্টের কথা বলেছেন। নির্বাচনের প্রচারণায় তাদের ডাকা হয়নি এমন আক্ষেপ করেন তারা। এ কারণেই জিদ মেটাতে তারা ধানের শীষের বিপক্ষে কাজ করার প্রত্যয় নেন। কিভাবে কাজটি সারবেন সেসব পরিকল্পনা করতেই দুটি বৈঠকে শলা পরামর্শ হয়। দ্রুত সময়ে আরো একটি বৈঠক করার পরিকল্পনা রয়েছে।
মূলত এসব নেতারা উপর দিয়ে ধানের শীষের পক্ষে কথা বলতাছেন। ফেসবুক ও কদাচিৎ শহরে আবুল কালামের সঙ্গে মিছিল করছেন। কিন্তু তলে তলে যত অনুসারী ও লোকজন আছে তাদেরকে ফুটবল প্রতীকে কাজ করার নির্দেশ দিচ্ছেন। এজন্য একটি মোটা অঙ্কের তহবিলও সংগ্রহ করা হয়েছে।
এরই মধ্যে এ প্রতিবেদকের কাছে সিসি টিভির ফুটেজ এসেছে যেখানে একটি বহুতল ভবনে ফুটবল প্রতীকের মাকসুদ হোসেনের ছেলে ও তার ভাই ইকবাল সহ আরো একজন প্রবেশ করেন। সেখানে তারা ঘন্টাখানেক অবস্থান করেন।
এছাড়া আরো একটি ফুটেজে কিছুদিন আগেও বিএনপির একজন শিল্পপতির জন্য নিজেকে উৎসর্গ করে দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া নেতাদের দেখা গেছে।
বিএনপির নেতারা বলছেন, এখানে ৭ জনের গ্রুপটি মূলত দলের চেয়ে ব্যক্তির উপর বেশী নির্ভরশীল। সে কারণেই তারা ব্যক্তির নির্দেশে আবুল কালাম ও ধানের শীষের বিরুদ্ধচারণ করছেন গোপনে।

































আপনার মতামত লিখুন :