বৃহস্পতিবার হকারদের উদ্দেশ্যে নাসিক প্রশাসক বলেছিলেন, ঈদের আগ পর্যন্ত জনগণের চলাচলের রাস্তা রেখে একপাশে আপনারা বসবেন। সড়কে কোন প্রকার হকার বসতে পারবে না। যদি মূল সড়ক দখল করে কোন হকার বসে, তাহলে সকল হকারদেরই উচ্ছেদ করা হবে।
কিন্তু শুক্রবার ও শনিবার এর বাস্তবায়ন দেখা যায়নি। বরং হকাররা সড়কে ভ্যান আর চৌকি নিয়ে বসে যায়। মহানগর বিএনপি নেতাদের উপস্থিতিতে সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসকের এমন সিদ্ধান্তকে ড্যামকেয়ার দেখিয়েছে ফুটপাত ও সড়কে থাকা হকাররা।
সিটি কর্পোরেশনের সিদ্ধান্তকে উপেক্ষা করে পূর্বের মত ফুটপাতের দুই পাশ সহ সড়কেও দখলে নগরবাসী ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। একই সাথে বিএনপি সরকার থাকা পরও নেতাদের উপস্থিতিতে হকাররা বীরদর্পে থাকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, কালীরবাজার প্রধান সড়কে ফুটপাতের পাশাপাশি সড়কে হকারদের বড় বড় বক্স নিয়ে বিক্রি করেন। একই অবস্থায় দেখা গেছে চাষাঢ়া বিভিন্ন পয়েন্টে। সায়াম প্লাজা থেকে পানোরামা প্লাজা পর্যন্ত অতিরিক্ত হকারদের কারণে মানুষের চলাচলে প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি হয়।
জানা যায়, শহরের হকারদের নিয়ে নাসিকের অডিটোরিয়ামে বসেন নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান। এ সময় তার পাশে ছিলেন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো: নূর কুতুবুল আলম, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো: আজগর হোসেন, মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আবু আল ইউসুফ খান টিপু, যুগ্ম আহ্বায়ক মনির হোসেন খান, সদর থানা বিএনপির সভাপতি মাসুদ রানা, মহিল দল নেত্রী দিলারা মাসুদ ময়না ও হকারদের বিএনপি অঙ্গসংগঠনের নেতারা।
হকারদের উদ্দেশ্যে নাসিক প্রশাসক বলেন, সড়কে কোন প্রকার হকার বসতে পারবে না। যদি মূল সড়ক দখল করে কোন হকার বসে, তাহলে সকল হকারদেরই উচ্ছেদ করা হবে। তাই কেউ যাতে সড়ক দখল করে না বসে, সেদিকে আপনারা খেয়াল রাখবেন। আর ফুটপাতে কোন প্রকার চোকি কিংবা গাড়ী নিয়ে বসা যাবে না। ২ ফিট ৩ফিট জায়গার মধ্যে নিচে পলিথিন দিয়ে কাপড় বিছিয়ে বসবেন। আর আপনাদের ময়লা আর্বজনা একটি বেগে রেখে নির্ধারিত স্থানে ফেলবেন। শহরকে নোংরা করা যাবে না। ঈদের আগ পর্যন্ত জনগণের চলাচলের রাস্তা রেখে একপাশে আপনারা বসবেন। কিন্তু ঈদের পর ২০ দিন আপনারা বসতে পারবে না। কারণ ফুটপাতে টাইলস বসানোর কাজ চলবে। এ ক’টা দিন আপনারা ঈদের ছুটি কাটাবেন।


































আপনার মতামত লিখুন :