নারায়ণগঞ্জ জেলা জুড়ে প্রায় ২৪২টি পূজা মণ্ডপে দূর্গা পূজা অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। এর মধ্যে সব থেকে ব্যয় বহুল এবং ঝাকজমক পূর্ন মণ্ডপ হয়ে থাকে সেই তালিকাতে শীর্ষেই থাকে টানবাজারে অবস্থিত সাহাপাড়া সার্বজননী পূজা মণ্ডপে। এবার ২৩তম দূর্গা পূজা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে এই মণ্ডপে। শুরু থেকেই মণ্ডপটি আলোড়ন সৃষ্টি করেছিলো। প্রতিবছর তারা নতুনত্ব আনার চেষ্টা করে থাকেন। এবছর মণ্ডপটির সাজসজ্জায় ব্যবহার করা হয়েছে মুলি বাঁশ ও বাঁশের কঞ্চি। মণ্ডপের সাজের মধ্যে বাংলাদেশের লোকশিল্পকে ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করেছেন আয়োজকেরা। বাঁশ ফালি করে তৈরি করা হয়েছে পাথির ঝাড়, বেড়া, সহ গ্রামীন লোকশিল্পের ছোঁয়া আনা হয়েছে মণ্ডপের সাজ সজ্জায়। সেই সাথে রাখা হয়েছে আধুনিক আলোক সজ্জা।
মণ্ডপের দেবী দূর্গা, স্বরসতী, লক্ষী সহ অন্যান্য প্রতিমা গুলোতেও রয়েছে ভিন্নতার ছোয়া।
আয়োজক কমিটির সহ সাধারণ সম্পাদক সৌরভ সাহা জানান, এবার আমাদের ২৩তম পূজা উদযাপন হতে যাচ্ছে। আমরা এবার লোকশিল্পকে ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করেছি। আমাদের মণ্ডপে প্রতিবছরই নতুনত্বের ছোয়া থাকে, সেটা আমরা সাবেকির মধ্যে রেখেই যতটা সাধ্যমত চেষ্টা করি। সাবেকি মানে হলো বাংলার ঐতিহ্যবাহী ও পুরনো রীতি মেনে তৈরি করা প্রতিমা, যা আধুনিক শিল্পকলা বা নিরীক্ষামূলক ডিজাইনের প্রভাবমুক্ত। প্রতিমার মধ্যে যদি মাতৃত্বভাব না থাকে তাহলে সেটা আসলে হয়না। সেই মাতৃত্বভাবটা রেখেই আমরা প্রতিমার মধ্যে যতটুকু নতুনত্ব করা যায় সেই চেষ্টা করি।
দূর্গা পূজায় নিরাপত্তার ঝুঁকি নেই মন্তব্য করে তিনি বলেন, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আমাদের নিরাপত্তার বিষয়টি আশ্বস্ত করেছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কিছু প্রোপ্রাগান্ডা ছড়াবেই এটা আটকে রাখা যাবেনা। হিংসা বিদ্বেষ ছড়াবেই। আমরা সেদিকে কান না দিয়ে সর্তক থাকি। কোন ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলে আমরা আইন হাতে না তুলে নিয়ে যেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগিতা নেই।
ছিনতাই রোধে তিনি বলেন, মণ্ডপে আনসার বাহিনীর সদস্য থাকবে। আমাদের নিজস্ব স্বেচ্ছাসেবী থাকবে, সেই সাথে পুরো এলাকায় সিসি টিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে। আমরা আমাদের সর্বাত্মক চেষ্টা করবো চুরি ছিনতাই প্রতিরোধ করার।































-20261014113949.jpg)








আপনার মতামত লিখুন :