নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার মুছাপুর ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গণে আসন্ন এয়োদশ জাতীয় সংসদ নিবাচন ও গণভোট-২০২৬ উদ্বুদ্ধকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় বিএনপি, জামায়াতে ইসলামীর স্থানীয় নেতৃবৃন্দ সহ এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন।
মুছাপুর ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মনজুর আলম এর সঞ্চালনায় বন্দর উপজেলা পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা শিবানী সরকার উপস্থিত সকলকে সংসদ নির্বাচনে প্রার্থীদের ভোট, গণভোটের হ্যা, না ভোট এবং পোস্টাল ভোট সম্পর্কে বিস্তারিত বুঝিয়ে বলেন। সেই সাথে উপস্থিত সকলকে নিজের পরিবার সহ এলাকাবাসীদের মাঝে এসব নিয়ে আলোচনা করে বুঝিয়ে বলার পরামর্শ দেন।
তিনি বলেন, সংসদ নির্বাচনের প্রার্থী নির্বাচনের জন্য একটি সাদা ব্যালট পেপার দেওয়া হবে। যেখানে সকল প্রার্থীদের মার্কা দেওয়া থাকবে। ভোটারা তাদের পছন্দের প্রার্থীর মার্কায় সিল দিয়ে চার ভাজ করে ব্যালটটি বাক্সে ফেলবেন। এই সাদা ব্যালেটের সাথে একটি রঙিন ব্যালেট দেওয়া হবে যার রঙ থাকবে গোলাপী। সেটি হলো গণভোটের ব্যালট। যেখানে ৪টি প্রশ্ন থাকবে। সেই ৪টি বিষয়ে একজন নাগরিক হিসেবে আপনি হ্যা অথবা না লেখায় সিল দিয়ে আপনারা মতামত প্রকাশ করবেন। ওই সাদা ব্যালটের মতই এটিও ভাজ করে একই বাক্সে ফেলতে হবে।
আর পোস্টাল ভোট মূলত সরকারি কর্মকর্তা যারা ভোটের সাথে প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষ ভাবে জড়িত থাকবেন। ফলে নিজ নিজ ভোট কেন্দ্রে গিয়ে তাদের ভোট প্রদান করতে পারবে না তাদের জন্য দেশে প্রথমবারের মত পোস্টাল ভোটের আয়োজন করা হয়েছে। পাশাপাশি যারা প্রবাসে রয়েছেন তারা পোস্টাল ভোটের মাধ্যমে তাদের মতামত প্রকাশ করবেন। এই পোস্টাল ভোটও এবার হয়তো নির্বাচনী ফলাফল ঘুরিয়ে দিতে পারবে। ফলে পোস্টাল ভোটও গুরুত্বপূর্ন। তবে পোস্টাল ভোটের জন্য আবেদনের শেষ তারিখ ছিল ৫ জানুয়ারি।
তিনি আরো বলেন, পোস্টাল ভোট সরাসরি রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে গ্রহণে করা হবে এবং তিনিই ফলাফল ঘোষণা করবেন। তাই প্রতিবারের ন্যায় এবার আর সহকারী রিটানির্ং অফিসারের কার্যালয় থেকে চূড়ান্ত ফলাফল অর্থাৎ জয় পরাজয়ের যে ফলাফল সেটা এবার সহাকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে জানা যাবেনা। এটা সরাসরি রিটার্নিং অফিসার ঘোষণা দিবেন।
তিনি আরো বলেন, এই প্রথম বারের মত পোস্টাল ভোট চালু করা হয়েছে। হয়তো কোন ভুল ভ্রুটি থাকতে পারে পরবর্তীতে এই পদ্ধতি আরো আপগ্রেড করা হবে। তখন হয়তো দেখা যাবে আপনি এক জেলার স্থায়ী বাসিন্দা, কিন্তু কর্মক্ষেত্রে আপনাকে অন্য জেলায় থাকতে হয়। ভোটের সময় আপনি কেন্দ্রে উপস্থিত হতে পারেন না, এমন ব্যক্তিদেরকেও হয়তো পোস্টাল ভোটের জন্য অন্তর্ভুক্ত করা হতে পারে।
এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, মুছাপুর ইউনিয়নের নারী সদস্য লাভলী আক্তার, মুছাপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি তারা মিয়া, সাধারণ সম্পাদক শাহীন আহম্মেদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জসিম উদ্দিন, তাওলাদ হোসেন সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দরা।




































আপনার মতামত লিখুন :