নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লায় বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। প্রভাব বিস্তার নিয়ে ওই সংঘর্ষে উভয় গ্রুপের অন্তত ৮জন আহত হয়েছে। তাৎক্ষনিক আহতদের নাম পরিচয় পাওয়া যায়নি। যৌথবাহিনী অভিযান চালিয়ে ছাত্রদল নেতা সহ উভয় গ্রুপের ৮জনকে আটক করেছে। তাদের কয়েকজনের কাছ থেকে গাজা ও হেরোইন জব্দ করেছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
শনিবার বিকেলে ফতুল্লার শিহাচর হাজীবাড়ি মোড় এলাকায় ফতুল্লা থানা তাঁতী দলের সভাপতি ইউনুস মাস্টার ও ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সভাপতি জয়নাল আবেদীনের সাথে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
আটককৃতরা হলো কুতুবপুর ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সভাপতি জয়নাল আবেদীন, জেলা ছাত্র দলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদী হাসান দোলন, আকাশ, জুয়েল, রিয়াজুল, রাজিব, জিহাদ ও রশিদ।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শিহাচর হাজীবাড়ি মোড় এলাকায় ইউনুস মাস্টার ও কুতুবপুর ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সভাপতি জয়নাল আবেদীনের সাথে দীর্ঘ দিন ধরেই এলাকার প্রভাব বিস্তার অর্থাৎ কলকারখানার ওয়েস্টেজ মাল ও ভূমি দস্যুতা, মাদক ব্যবসা, ছিনতাই এবং এলাকার মাতব্বরী নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। সেই বিরোধের জের ধরে শনিবার দুপুর থেকে দুই গ্রুপের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। উভয় গ্রুপের কয়েকশত সন্ত্রাসী হাতে ধারালো দেশীয় অস্ত্র আর হাত বোমা নিয়ে সংঘর্ষের প্রস্তুতি নেয়। এক পর্যায়ে বিকেল ৩টার সময় উভয় গ্রুপ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এসময় ব্যাপক বোমা বিস্ফোরন ঘটিয়ে এলাকায় সাধারন মানুষের মধ্যে আতংক সৃস্টি করে ধারালো অস্ত্র হাতে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়। এসময় ধারালো অস্ত্র ও ইটপাটকেলের আঘাতে অন্তত ৮জন আহত হয়। তখন ভয়ে এলাকাবাসী দৌড়ে বাড়ি ঘরে দরজা জানালা বন্ধ করে আশ্রয় নেয়। ওইসময় প্রায় ১৫/২০ মিনিট এ সংঘর্ষ চলে। এরপর পুলিশ সেনাবাহিনী র্যাবসহ যৌথবাহীনি ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ধাওয়া করে উভয় গ্রুপের ৮জনকে আটক করেন।
এলাকাবাসীর অভিযোগ উভয় গ্রুপের নেতাসহ তাদের সন্ত্রাসী বাহিনীর বিরুদ্ধে দলীয় ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কঠোর ব্যবস্থা নিলে সাধারন মানুষ শান্তিতে বসবাস করতে পারবে।
ফতুল্লা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল মান্নান জানান, উভয় গ্রুপের ৮জনকে আটক করা হয়েছে। তাদের কয়েকজনের কাছ থেকে গাজা ও হেরোইন উদ্ধার করা হয়েছে। জব্দ করা হয়েছে বিস্ফোরিত বোমার কিছু অংশ।





































আপনার মতামত লিখুন :