নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার গিরিধারা এলাকার আলোচিত ও সমালোচিত ভূমিদস্যু হিসেবে পরিচিত সাবেক কৃষক দল নেতা শাহাদাত চৌধুরী ওরফে শাহাদাত পুলিশকে এবার দেখা গেছে এমপি নির্বাচন করা জমিয়ত নেতা মনির হোসাইন কাসেমীর সঙ্গে। এরই মধ্যে তার সঙ্গে একাধিকবার দেখা করেছেন শাহাদাত। ছবি তুলে এলাকাতে নতুন করে প্রচারণায় নেমেছেন।
গণমাধ্যমকর্মীদের উপর হামলা ও দখলের অভিযোগে এরই মধ্যে শাহাদাতের কৃষক দলের পদ স্থগিত করা হয়েছে।
আহত গণমাধ্যমকর্মীরা জানান, সদর উপজেলার ফতুল্লার গিরিধারা বউবাজার এলাকায় এক নারীর অভিযোগ ছিল তাদের জমি দখল করে রেখেছিল বিএনপির নামধারী নেতা শাহাদাত ও তার ছেলে আতাই-রাব্বি। ওই নারীর বাসার গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়া হয়েছে। তিনদিন যাবত কারখানায় আটকে রেখে খাওয়া ধাওয়া বন্ধ করে রেখেছিলো। একই সাথে তার মেয়ের শ্লীলতাহানী ও মারধর করা হয়েছে। ওই ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী পুলিশ ও সেনাবাহিনী সহ বিভিন্ন জায়গায় অভিযোগ করে সুরাহা পাচ্ছিলেন না। ওই নারী ফতুল্লা থানায় একাধিকবার জিডি করেন। এ বিষয়ে খোঁজ খবর ও সংবাদ সংগ্রহ করতে ৫ নভেম্বর বিকেল ৪টার দিকে আমরা ঘটনাস্থলে যান। সেখানে ভুক্তভোগী ওই নারীর সঙ্গে কথা বলার সময় কথিত বিএনপি নেতা শাহাদাত হোসেন ও লোকজন নিয়ে এসে অতর্কিতভাবে তাদের ওপর হামলা চালায়। বেধড়ক মারধর করে। এক পর্যায়ে তাদেরকে টেনে হেচড়ে একটি রুমে আটকে রেখে লাঠিসোটা ও রড দিয়ে পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করে। তাদের সঙ্গে থাকা ক্যামেরা ও মুঠোফোন ভেঙে ফেলে। পরে রুমে আটকে মুঠোফোন ভাঙচুর করে। খবর পেয়ে গণমাধ্যমকর্মীরা ঘটনাস্থলে ছুটে গেলে তাদের সঙ্গেও অশোভন আচরণ করা হয়।
৬ নভেম্বর বিকেলে আহত জাগো নিউজের সাংবাদিক মো. আকাশ খান বাদী হয়ে ফতুল্লা থানায় মামলা দায়ের করেন।
মামলায় আসামি করা হয়েছে মূল হামলাকারী শাহাদাত হোসেন (৬০) এবং সায়েদাবাদী শহীদকে (৫৫)। এছাড়া মামলায় ১০ থেকে ১২ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) সন্ধ্যায় আদালতে প্রেরণ করা হলে আদালত পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য্য করে তাকে কারাগার প্রেরণের নির্দেশ দেন।
৮ নভেম্বর কৃষক দলের সভাপতি কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন ও সাধারণ সম্পাদক শহীদুল ইসলাম বাবুল ওই সিদ্ধান্ত দেন।































আপনার মতামত লিখুন :