News Narayanganj
Bongosoft Ltd.
ঢাকা রবিবার, ০৫ এপ্রিল, ২০২৬, ২২ চৈত্র ১৪৩২

২৭নং ওয়ার্ডে সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে আলোচনায় ৪জন


দ্যা নিউজ নারায়ণগঞ্জ ডটকম | স্টাফ রিপোর্টার প্রকাশিত: এপ্রিল ১, ২০২৬, ১০:৪৬ পিএম ২৭নং ওয়ার্ডে সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে আলোচনায় ৪জন

নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ২৭টি ওয়ার্ডের মধ্যে শীতলক্ষ্যা নদীর পূর্ব

পাড় বন্দর থানা এলাকায় রয়েছে ৯টি ওয়ার্ড। এই নয়টি ওয়ার্ডের মধ্যে সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে ২৭নং ওয়ার্ড। কারণ এর ওয়ার্ডটি ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কের পাশে অবস্থিত। পাশাপাশি এখানে রয়েছে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা। এই ওয়ার্ডটির ঘেঁষে রয়েছে উপজেলার আওয়তাধীন তিনটি ইউনিয়ন পরিষদ। বন্দরে সিটি কর্পোরেশনের নয়টি ওয়ার্ড এলাকার মধ্যে এই এলাকাতেই সব থেকে বেশি গণবসতি, যার বেশির ভাগ মানুষই বিভিন্ন শিল্পকারখানায় চাকরি করার সুবাধে এই এলাকায় বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস করে থাকেন। ওয়ার্ডটি চাঁদাবাজি, মাদকের বিস্তার, চুরি ছিনতাই, ডাকাতির মত নানা সমস্যাও রয়েছে। এসব সমস্যার সমাধানের প্রয়োজন একজন বলিষ্ঠ নেতৃত্ব। যিনি ২৭নং ওয়ার্ডের সাধারণ ভোটারদের ভোটে কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়ে এলাকার সমস্যা সমাধানে কাজ করবেন। ইতোমধ্যে ২৭নং ওয়ার্ড থেকে সম্ভাব্য কাউন্সিলর প্রার্থী হিসেবে ৪জনের নাম শোনা যাচ্ছে।

তারা হলেন এই ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর সিরাজুল ইসলাম, মো. ফারুক হোসেন, মনির হোসেন ও আসাদুজ্জামান বাদল।

এদের মধ্যে সাবেক কাউন্সিলর সিরাজুল ইসলাম দুইবার কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছিলেন। সবশেষ নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে কাউন্সিলর নির্বাচিত হওয়ার ২০২৪ সালে ছাত্র জনতার গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামীলীগ সরকার পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর সরকারি এক প্রজ্ঞাপনে দেশের সকল সিটি কর্পোরেশনে মেয়র ও কাউন্সিলরদের পদ থেকে অপসারিত করতে সিরাজুল ইসলামের কাউন্সিলর পদ চলে যায়। এরপর তিনি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে বেশ কিছুদিন জেল খেটে জামিনে বের হয়েছে। এর আগে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে আওয়ামী লীগ থেকে তাকে আগেই বহিষ্কার করা হয়েছিলো। তিনি ধামগড় ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পদে ছিলেন। আসন্ন নির্বাচনে তিনি আবারো কাউন্সিলর প্রার্থী হবেন।

সম্ভাব্য কাউন্সিলর প্রার্থীর তালিকায় সব থেকে বেশি আলোচনায় রয়েছে মো. ফারুক হোসেন। সব শেষ নির্বাচনে তিনি কাউন্সিলর পদে নির্বাচন করে সামান্য ভোটে পরাজিত হয়েছিলেন। ফারুক হোসেন এর দাবি সাবেক মেয়র আইভী তার কেন্দ্রে এসে তাকে ঘোষণা দিয়েই তার বিজয় ছিনিয়ে নিয়েছিলেন। তাই এবারো তিনি ২৭নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদে নির্বাচনে প্রার্থী হবেন। তার পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা বিএনপির রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত থাকলেও মো. ফারুক হোসেন কোন রাজনৈতিক দলের সাথে সম্পৃক্ত নন। এলাকায় তিনি একজন ব্যবসায়ী ও সমাজকর্মী হিসেবেই বেশি পরিচিত।

সম্ভাব্য প্রার্থীর তালিকায় রয়েছেন মনির হোসেন। কাউন্সিলর প্রার্থী হিসেবে তার নাম শোনা গেলেও মনির হোসেন জানিয়েছেন তিনি এই মুহূর্তে এ বিষয়ে চুড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত জানাবেন না আগে তিনি দলীয় ফোরামে কথা দলের দলীয় নেতাদের সমর্থন চাইবেন এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সাথে আলোচনা করে নির্বাচনী মাঠে নামবেন।

অপরদিকে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে নাম শোনা যাচ্ছে আসাদুজ্জামান বাদল এর। ইতোমধ্যে তিনি নির্বাচনের অঙ্গিকার নিয়ে মাঠে রয়েছেন।

সম্ভাব্য এই ৪জন প্রার্থীর বাইরে আরো বেশ কয়েকজন প্রার্থী হতে পারে বলেও ধারণা করছেন এলাকাবাসী। অনেকেই নির্বাচন করার ইচ্ছা পোষন করলেও এখন পর্যন্ত প্রকাশ্যে আসেনি। ওই সকল সম্ভাব্য প্রার্থীরা মূলত পরিস্থিতির পর্যবেক্ষন করছেন, সময় মত তারা তাদের প্রার্থী হওয়ার বিষয়টি খোলাসা করবেন।