আসছে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন (নাসিক) নির্বাচনকে সামনে রেখে ২নম্বর ওয়ার্ডের সম্ভাব্য কাউন্সিলর পদপ্রার্থীরা ভোটারদের দারস্থ হচ্ছেন। এবারের নির্বাচনে জনসেবার সুযোগ পেতে চারজন প্রার্থী আলোচনায় রয়েছেন। সম্ভাব্য প্রতিযোগীদের মধ্যে তিনজন প্রকাশ্যে থাকলেও একজন আত্মগোপনে থেকে মাঠ গোছাচ্ছেন বলে শোনা গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২নম্বর ওয়ার্ডের সম্ভাব্য কাউন্সিলর পদপ্রার্থী হিসেবে বিএনপি দলীয় দুজন, জামায়াতে ইসলামীর এক এবং আওয়ামী সেচ্ছাসেবক লীগের একজনের নাম আলোচনায় উঠে এসেছে।
এবারের প্রতিযোগিদের মধ্যে রয়েছেন সিদ্ধিরগঞ্জ থানা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক দুবারের কাউন্সিলর ইকবাল হোসেন, নারায়ণগঞ্জ মহানগর জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারী মো. জামাল হোসাইন, সিদ্ধিরগঞ্জ থানা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আমিনুল হক ভুঁইয়া রাজু এবং বিএনপি নেতা ইকবাল ওরফে ভেন্ডার ইকবাল।
প্রার্থী হবার বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে সম্ভাব্য কাউন্সিলর পদপ্রার্থীরা নিজেদের মতামত তুলে ধরেছেন।
বিএনপি নেতা ও সাবেক কাউন্সিলর ইকবাল হোসেন জানান, আমার ওয়ার্ডের ভোটাররা দুবার আমার উপর ভরসা রেখেছেন। জনগণের সঙ্গে ছিলাম, আছি এবং থাকবো। আমি বিশ্বাস করি জনগণ এবারও তাদের প্রমাণ দিবে।
জামায়াতে ইসলামী নেতা মো.জামাল হোসাইন বলেন, আমি নির্বাচনের দিকে অগ্রসর হচ্ছি। আমাদের দলীয় সিদ্ধান্ত ইতোমধ্যে চূড়ান্ত হয়েছে, এখন শুধু ঘোষণা দেওয়ার অপেক্ষা।
স্বেচ্ছাসেবক লীগের আমিনুল হক ভুঁইয়া রাজু জানিয়েছেন, আমার বিরুদ্ধে বিভিন্ন মামলায় থাকায় আমি এলাকার বাহিরে অবস্থান করছি। তবে ওয়ার্ডবাসীর সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে যাচ্ছি। স্থানীয়রা আমার উপর ভরসা রাখতে চায়। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়া মাত্রই প্রকাশ্য হয়ে মানুষের দারস্থ হবো। নির্বাচন করে জয়ী হয়ে মানুষের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রাখবো।
২০২৪ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর কাউন্সিলরদের অপসারণ করে তৎকালীন অন্তর্র্বতী সরকার। এরপর হতে গুরুত্বপূর্ণ এই ওয়ার্ডটিতে নাগরিক সেবা পেতে বেশ সমস্যা তৈরি হয়েছে। কাউন্সিলরের অবর্তমানে সচিব নিয়োগ দেওয়া হলেও মানুষের ভোগান্তি চরমে। তাই আসছে নির্বাচনে যোগ্য প্রার্থীকে বিজয়ী করার ভাবনায় রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় ভোটাররা। এদিকে ওয়ার্ডটিতে ২৩ হাজার ভোটার রয়েছে বলেও জানা গেছে।

































আপনার মতামত লিখুন :