সরকারি ছুটির দিনেও নতুন সময়সূচী অনুযায়ী সকাল সাতটা থেকে বিকেল ৩ টা পর্যন্ত জ্বালানি তেল সরবরাহ করা হচ্ছে। তবে রাজধানী ঢাকার বাহিরের ফিলিং স্টেশনগুলোতে অকটেন পেট্রোল সীমিত আকারে সরবরাহ করা হচ্ছে। এতে ওইসব এলাকাগুলোতে ফিলিং স্টেশনে অকটেন পেট্রোল সংকট রয়েছে।
শনিবারও সকাল থেকেই প্রতিটি ডিপোতে ট্যাঙ্কলরির লম্বা লাইন দেখা গেছে। একের পর এক ট্যাঙ্ক লরি ডিপোতে গেট প্রবেশ করে জ্বালানি তেল নিয়ে নির্দিষ্ট গন্তব্যে পৌঁছে যাচ্ছে। ডিপোগুলো নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত রয়েছেন সেনাবাহিনী, পুলিশ ও আনসার সদস্যরা।
রাজধানী ঢাকাসহ আশেপাশের ১২ থেকে ১৫ টি জেলায় নারায়ণগঞ্জে ৪টি ডিপো থেকে প্রতিদিন তেল সরবরাহ করা হচ্ছে।
প্রধান কার্যালয় থেকে পাঠানো চার্ট প্রতিদিন ডিপোর ফটকের বাহিরে সাটিয়ে দেয়া হচ্ছে। প্রতিটি ডিপো থেকে প্রতিদিন শতাধিক ফিলিং স্টেশন ও শিল্প কারখানায় জ্বালানী তেল সরবরাহ করা হচ্ছে। তবে রাজধানী ঢাকার বাহিরের জেলাগুলোতে অকটেন ও পেট্রাল প্রদানের হার অনেক কম। পদ্মা ডিপোতে দেখা যায় নারায়ণগঞ্জের তালিকায় ১৪টি ফিলিং স্টেশনের মধ্যে মাত্র ৩টি ফিলিং স্টেশনে ১৮ হাজার লিটার অকটেন সরবরাহ করা হয়েছে। গাজীপুরের তালিকায় ১৪ টি ফিলিং স্টেশনের কোনটিতেই অকটেন কিংবা পেট্রাল সরবরাহ করা হয়নি। ময়মনসিংহের তালিকায় ১৪টি ফিলিং স্টেশনের মধ্যে মাত্র ২টি ফিলিং স্টেশনে ৯ হাজার লিটার অকটেন সরবরাহ করা হয়েছে। টাঙ্গাইলের তালিকায় ৬টি ফিলিং স্টেশনের মধ্যে মাত্র ১টিতে সাড়ে ৪ হাজার অকটেন সরবরাহ করা হয়েছে।
একই চিত্র দেখা গেছে মেঘনা ডিপোতেও। সেখান থেকেও রাজধানী ঢাকার বাহিরের জেলাগুলোতে অকটেন ও পেট্রোলের সরবরাহ অনেক কম।
ফিলিং স্টেশনের প্রতিনিধি ও ট্যাংক লরী চালকরা জানান, চাহিদা অনুযায়ী তেল সরবরাহ করা হচ্ছে না ডিপো থেকে। তাদেরকে একাধিকবার আসতে হচ্ছে। তারা অকটেন ও পেট্রোল কম পাচ্ছেন। এছাড়াও তেল সংকট দেখা দিতে পারে এই আশঙ্কায় মোটর সাইকেল চালক ও প্রাইভেটকারে তেল বেশী নেয়ার প্রবনতার কারণে অকটেনের চাহিদা অনেক বেড়েছে। আগে যেসব মোটরসাইকেল চালক নামমাত্র তেল নিতো তারা এখন টাংকি পুরো করে নিতে চাচ্ছে। এতে ফিলিং স্টেশনগুলোতে গাড়ির চাপ বাড়ছে।









































আপনার মতামত লিখুন :