News Narayanganj
Bongosoft Ltd.
ঢাকা শনিবার, ১৭ জানুয়ারি, ২০২৬, ৩ মাঘ ১৪৩২

বিএনপিতে ফিরতে মরিয়া তৈমূর


দ্যা নিউজ নারায়ণগঞ্জ ডটকম | স্টাফ রিপোর্টার প্রকাশিত: জানুয়ারি ১৬, ২০২৬, ১০:০৪ পিএম বিএনপিতে ফিরতে মরিয়া তৈমূর

তৈমূর আলম খন্দকার। নারায়ণগঞ্জ রূপগঞ্জের সন্তান হয়ে শহরের বিভিন্ন সংগঠনের মাধ্যমে বিএনপি রাজনীতিতে সক্রিয় হন তিনি। টানা দুই যুগের বেশি সময়ে ধরে বিএনপিতে ছিলেন শহর মহানগর জেলা ও কেন্দ্রীয় কমিটির গুরুত্বপূর্ণ পদে। এর পাশাপাশি বিএনপি নেতৃত্বে চারদলীয় জোট সরকার আমলে অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল ও বিআরটিসি চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পান। ভোটে জনপ্রতিনিধি হওয়ার চেষ্টায় নারায়ণগঞ্জ-১ আসন এমপি ও নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মনোনয়ন প্রত্যাশি ছিলেন। এরপরও দলের মনোনয়ন পেলেও ভোট যুদ্ধে জয়ী হতে পারেনি। যার কারণে ২০২২ সালের নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র প্রার্থী হয়ে নির্বাচন করায় বিএনপি সকল পদ থেকে বহিস্কার করা হয়।

ওই বছরের ৩ জানুয়ারি বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পদের পর ১৮ জানুয়ারি জেলা বিএনপি আহবায়ক পদ সহ সকল প্রাথমিক সদস্য থেকে বহিস্কার করে নীতিনির্ধারকরা। চার বছরে চারটি অবস্থানে রয়েছেন তৈমূর আলম খন্দকার। ২০২২ সালের শুরুতে বিএনপিতে বহিস্কার হন তিনি, এরপর ২০২৩ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর তৃণমূল বিএনপিতে যোগ দেন তৈমূর আলম খন্দকার। ওইদিনই তৃণমূল বিএনপির সম্মেলনে কেন্দ্রীয় মহাসচিব হয়ে আলোচনা সৃষ্টি করেন। ২০২৪ সালের শুরুতেই দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দল নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিলেও কোন আসনে জয়ী হতে পারেনি। যার ফলে তৈমূর আলম খন্দকারকে আলোচনা সমালোচনা সৃষ্টি নারায়ণগঞ্জ সহ সারাদেশে।

২০২৩ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠানিকভাবে তৃণমূল বিএনপিতে যোগ দেন বিএনপি চেয়ারপারসনের সাবেক উপদেষ্টা (বহিষ্কৃত) অ্যাডভোকেট তৈমুর আলম খন্দকার। দলটির প্রতিটি সদস্য তৃণমূলের অথরিটি, কেউ কারও ওপরে খবরদারি করতে পারবে না তাই এই দলে যোগ দেন তিনি।

৮ জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তৃণমূল বিএনপি ভরাডুবিতে পতন হয় দলটি। চেয়ারম্যান শমসের মবিন চৌধুরী ও মহাসচিব তৈমূর আলম খন্দকারের নির্বাচনে জামানত পর্যন্ত হারান। এতে তাদের মধ্যে দ্বিমুখি আচরণে সারাদেশে দলটি চেইন অব কমান্ড ভেঙ্গে পড়ে। যার কারণে পুরো বছর নেতৃত্বহীন হয়ে পড়ে তৃনমূল বিএনপি। এমনকি ছাত্র-জনতা আন্দোলন চলাকালে তৃনমূল বিএনপির কোন অবস্থান দেখা যায়নি।

গত বছর ২৯ অক্টোবর দল থেকে পদত্যাগ করেন তৃনমূল বিএনপির চেয়ারম্যান শমসের মবিন চৌধুরী ও মহাসচিব তৈমূর আলম খন্দকার। একে অপরের কাছে লিখিত আবেদন করে দল থেকে পদত্যাগ করেন।

চলতি বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনীত প্রার্থীদের সুপারিশে বহিস্কৃত নেতাদের প্রত্যাহার করে নেয়। চলতি জানুয়ারি মাসেই একাধিক নেতা ফিরে আসায় এবার তৈমূর আলম খন্দকার নিজের বহিস্কার আদেশ প্রত্যাহারে তোড়জোড় চালিয়ে যাচ্ছেন। শোনা গেছে, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আগে পরে সিনিয়র নেতাদের বহিস্কারদেশ প্রত্যাহার করা হচ্ছে। যার কারণে তৈমূর আলম খন্দকার আগামী সপ্তাহে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান ও চেয়াপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারতে প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

Islam's Group