আওয়ামীলীগ সরকার পতন হয়েছে ২৪-এর ৫ আগষ্ট। এরপর থেকে মহানগর বিএনপি শীর্ষ পর্যায়ে নেতাদের টার্গেটে রূপ নেয় নারায়ণগঞ্জ-৫ আসন ও নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন। প্রায় দেড় বছর মাঠ পর্যায়ে সক্রিয়তা নিয়ে বিএনপি দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশায় ছিলেন একডজন প্রার্থী। এদের মধ্যে নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে প্রাথমিকভাবে দলীয় মনোনীত করা হলেও দেড় মাসে ব্যবধানে আরেকজন মনোনয়ন দেয়া হয়। এতে করে মহানগর বিএনপি শীর্ষ থেকে তৃনমূল পর্যায়ে আলোচনা সমালোচনা সৃষ্টি হয়। যার কারণে নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে বিএনপি প্রার্থী জয়ী করার লক্ষ্যে হিমশিম খেয়ে হয়েছিলো মাঠ পর্যায়ে নেতাকর্মীরা।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলের মনোনয়ন বঞ্চিত হওয়ায় নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী প্রত্যাশায় ছিলেন একডজন নেতা। ১২ ফেব্রুয়ারি বিএনপি বিপুল আসন নিয়ে নির্বাচিত হন। ১৭ ফেব্রুয়ারি সরকার গঠন ও ২২ ফেব্রুয়ারি দেশের ছয়টি সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নিয়োগ। ইতোমধ্যে ছয়টি সিটি কর্পোরেশনের দায়িত্ব গ্রহণ করেন বিএনপি ছয় শীর্ষ নেতা।
এরা আগে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়ন না পাওয়ায় নাসিকে মেয়র প্রার্থী প্রত্যাশায় রয়েছেন জেলা বিএনপি আহবায়ক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ, যুগ্ম আহবায়ক মাসুকুল ইসলাম রাজীব, মহানগর বিএনপি সাবেক সাধারণ সম্পাদক এটিএম কামাল, বর্তমান আহবায়ক সাখাওয়াত হোসেন খান, যুগ্ম আহবায়ক আবুল কাউসার আশা, সদস্য সচিব আবু আল ইউসুফ খান টিপু, শিল্পপতি আবু জাফর আহম্মেদ বাবুল, শিল্পপতি মাসুদুজ্জামান মাসুদ, নুরুল ইসলাম সরদার, জাসাস নেতা আনিসুল ইসলাম সানি, জাকির খান, আতাউর রহমান মুকুল ও মাকছুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ।
তাদের সকলের বুঝে উঠার আগেই বিএনপির চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নজরে থাকায় মহানগর বিএনপি আহবায়ককে নাসিকের প্রশাসক নিয়োগ পান। এতে প্রত্যাশিত একডজন শীর্ষ নেতাদের পিছনে ফেলে সাখাওয়াত হোসেনের এমন চমক রীতিমত সকলের কাছে প্রশংসিত হয়েছেন।


































আপনার মতামত লিখুন :