পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি বলেন, সরকারী দল ও বিরোধী দলকে ঐক্যবদ্ধভাবে দেশ গড়ার দায়িত্ব নিতে হবে। কারণ দেশ গড়ে তোলার দায়িত্ব কারো একক নয়। সবার সম্মিলিত অংশগ্রহণ দরকার। আর সেটা যদি গণতান্ত্রিকভাবে করা সম্ভব হয় তাহলে বাংলাদেশের সামনে যতো চ্যালেঞ্জ আছে তেমনি অপার সম্ভাবনা আছে। আমরা বর্তমানে বৈরী আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির মধ্যে এই মুহূর্তে অবস্থান করছি এবং এই পরিস্থিতির কারণে আমাদের সামনে অনেক চ্যালেঞ্জ এসে হাজির হয়েছে। জ্বালানী তেল থেকে শুরু করে আমদানী নানাকিছু জীবনযাপনকে ব্যাপকভাবে প্রভাবিত করেছে। এই মুহূর্তে আমাদের প্রয়োজন ঐক্য এবং ধৈর্য্য। বর্তমান সরকার এই যে বৈরি পরিস্থিতির মধ্যে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে সে ব্যাপারে সর্বোচ্চ সজাগ রয়েছে। একইসঙ্গে দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানগুলো ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। অর্থনীতিকে খাদের কিনারায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এই অবস্থায় দেশকে আবার আমরা উন্নতির দিকে নিয়ে যাবো, কিভাবে বিকশিত অর্থনীতির দিকে নিয়ে যাবো, কিভাবে ব্যাংকখাতে মানুষের আস্থা ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে এবং সবশেষ শিক্ষা, স্বাস্থ্য ইত্যাদি প্রশ্নে মানুষের জীবনের সত্যিকারের উন্নতি হবে। উন্নতি বলতে শুধু রাস্তাঘাট আর স্থাপনা নয়, উন্নয়ন হচ্ছে নাগরিকের জীবনে কি পরিবর্তন আনলো। সেই লক্ষ্যে বর্তমান সরকার ফ্যামেলী কার্ড, কৃষি কার্ডসহ বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়নে কাজ করছে।
শনিবার (৭ মার্চ) শহরের একটি রেস্টুরেন্টে নারায়ণগঞ্জ জেলা ও মহানগর গণসংহতি আন্দোলনের আয়োজিত ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, বিদ্যমান রাষ্ট্রকে বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার যে অবস্থায় নিয়ে গিয়েছিল তাতে বাংলাদেশের অগ্রগতি আর সম্ভব ছিল না। যে দেশে মানুষের অধিকার কার্যকর থাকে না সেদেশ এগিয়ে যেতে পারে না। কাজেই এখন এই রাষ্ট্রব্যবস্থাকে বদলে ফেলতে হবে। যা করতে হবে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায়। আর এর জন্য মানুষের ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে। এছাড়া জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করাও সম্ভব না এবং জনগণের জীবনেরও গুণগত পরিবর্তন আনাও সম্ভব না। এই নারায়ণগঞ্জ একসময় অত্যাচারের বড় জায়গা ছিল।
গণসংহতি আন্দোলনের জেলা সমন্বয়কারী তরিকুল সুজনের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ আল আমিন, নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আবুল কালাম, নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান, র্যাব-১১এর অধিনায়ক লে. কর্নেল এইচএম সাজ্জাদ হোসেন, প্রাইম গ্রুপের চেয়ারম্যান আবু জাফর আহমেদ বাবুল, গণসংহতি আন্দোলনের মহানগর সমন্বয়কারী বিপ্লব খান প্রমুখ।




































আপনার মতামত লিখুন :