নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটি নিয়ে বিরোধের জেরে এক সহকারী শিক্ষককে থাপ্পড় মারার অভিযোগ উঠেছে ওয়ার্ড বিএনপির এক নেতার বিরুদ্ধে।
বুধবার বেলা সোয়া ১১টার দিকে উপজেলার কালনী হিড়নাল উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের কক্ষে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
অভিযুক্ত আবজাল মোল্লা দাউদপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি। অভিযোগকারী একরামুন্নেছা বিউটি ওই বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক।
এ ঘটনায় আবজাল মোল্লাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন রূপগঞ্জ থানা বিএনপির সভাপতি মাহফুজুর রহমান।
বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, বেলা সোয়া ১১টার দিকে প্রধান শিক্ষক আওলাদ হোসেন দপ্তরিকে দিয়ে সহকারী শিক্ষক একরামুন্নেছা বিউটিকে নিজের কক্ষে ডেকে নেন। সেখানে বিএনপি নেতা আবজাল মোল্লা, বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি জাকির হোসেনসহ তিনজন সদস্য ও কয়েকজন শিক্ষক উপস্থিত ছিলেন। এ সময় বিদ্যালয়ের বর্তমান ব্যবস্থাপনা কমিটি নিয়ে কিছুদিন আগে একরামুন্নেছা বিউটি বাজে মন্তব্য করেছেন এমন অভিযোগ তুলে আবজাল মোল্লা উত্তেজিত হয়ে ওঠেন। একপর্যায়ে তিনি ওই নারী শিক্ষকের ওপর চড়াও হন। এ সময় প্রধান শিক্ষকের সঙ্গেও তাঁর উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় হয়।
ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, প্রধান শিক্ষকের কক্ষে কয়েকজন শিক্ষক ও অন্য ব্যক্তিরা বসে আছেন। এ সময় কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে আবজাল মোল্লা সহকারী শিক্ষক একরামুন্নেছা বিউটিকে মারধর করছেন।
একরামুন্নেছা বিউটির অভিযোগ, ২০২৪ সালের আগস্টে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কমিটি গঠন নিয়ে আবজাল মোল্লার সঙ্গে তাঁর বিরোধ হয়। সেই বিরোধের জের ধরে গতকাল তাঁকে অপমান ও মারধর করা হয়েছে। ঘটনার সময় উপস্থিত অন্য শিক্ষকেরা বাধা দিতে গেলে তাঁদেরও গালিগালাজ করেন আবজাল মোল্লা।
ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, প্রধান শিক্ষকের কক্ষে কয়েকজন শিক্ষক ও অন্য ব্যক্তিরা বসে আছেন। এ সময় কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে আবজাল মোল্লা সহকারী শিক্ষক একরামুন্নেছা বিউটিকে মারধর করছেন।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে আবজাল মোল্লা বলেন, তাঁকে নিয়ে ওই শিক্ষক বাজে মন্তব্য করায় তিনি উত্তেজিত হয়ে একটি থাপ্পড় দিয়েছেন। কাজটি ঠিক হয়নি বলে তিনি স্বীকার করেন।


























-20261014113949.jpg)









আপনার মতামত লিখুন :