News Narayanganj
Bongosoft Ltd.
ঢাকা শুক্রবার, ০৯ জানুয়ারি, ২০২৬, ২৬ পৌষ ১৪৩২

বেগম রোকেয়া খন্দকার পৌর উচ্চ বিদ্যালয়ে হচ্ছে বহুতল ভবন


দ্যা নিউজ নারায়ণগঞ্জ ডটকম | স্টাফ রিপোর্টার প্রকাশিত: জানুয়ারি ৮, ২০২৬, ০৯:৩৩ পিএম বেগম রোকেয়া খন্দকার পৌর উচ্চ বিদ্যালয়ে হচ্ছে বহুতল ভবন

সিনিয়র অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকারের প্রচেষ্টায় মাসদাইরের বেগম রোকেয়া খন্দকার পৌর উচ্চ বিদ্যালয়ে হতে যাচ্ছে বহুতল। তৈমূর আলম খন্দকারের মায়ের নামে স্কুলটি হওয়ার কারণে অনেকদিন ধরেই সরকারি অনুদানে কোনো একাডেমিক হচ্ছিলো না। তবে শেষ পর্যন্ত তৈমূর আলম খন্দকার নানাভাবে প্রচেষ্টা চালিয়ে সফল হয়েছেন। সরকার ১ কোটি ৭৫ লক্ষ টাকা বরাদ্দ দিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারী) বেগম রোকেয়া খন্দকার পৌর উচ্চ বিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট সকলকে নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে ভবন নির্মাণের জায়গা নির্ধারণ করা হয়েছে। হয়তো আগামী কিছুদিনের মধ্যেই ভবন নির্মাণের কাজ শুরু করা হবে।

বেগম রোকেয়া খন্দকার পৌর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা সুলতানা বেগম রত্না বলেন, আজকে আমাদের বিদ্যালয়ের জন্য একটি বিশেষ দিন। বিদ্যালয়টি ১৯৯০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়ে এখন পর্যন্ত সরকারি অনুদানে কোনো একাডেমিক ভবন পাইনি। এটা আমাদের জন্য অনেক বেশি কষ্টের। আমাদের ১ হাজার শিক্ষার্থী রয়েছে। কিন্তু বিভিন্ন প্রেক্ষাপটের কারণে আমাদের এখানে একাডেমিক ভবন আসেনি।

তিনি আরও বলেন, বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা ড. খন্দকার অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার তিনি তার মায়ের নামে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত করেছেন। এটি মাসদাইর এলাকার শিক্ষার মান উন্নয়নে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। আমরা এবার তার প্রচেষ্টায় একটি ভবন পেতে যাচ্ছি। ১ কোটি ৭৫ লক্ষ টাকা অনুমোদন হয়েছে। আমাদের প্রতিষ্ঠাতার প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ। আমরা এভাবেই তার হাত ধরেই সকলকে নিয়ে সমন্বয় করে বিদ্যালয়টিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারি সেই প্রত্যাশা করছি।

প্রতিষ্ঠাতা ড. অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার বলেন, আমাদের বেগম রোকেয়া খন্দকার পৌর উচ্চ বিদ্যালয়ের জন্য বহুল আকাঙ্ক্ষিত দিন। যতবারই এই স্কুলটিতে সরকারি উন্নয়নের জন্য আবেদন করা হয়েছে ততবারই ফেরত আসছে। কারণ এই স্কুলটি আমার মায়ের নামে করা হয়েছে। একই কারণে বেগম রোকেয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টিতেও কোনো উন্নয়ন হয়নি।

তিনি আরও বলেন, বর্তমানে নানা প্রতিবন্ধকতা পেরিয়ে ৬ তলা ফাউন্ডেশন দিয়ে ১ তলা বিল্ডিং অনুমোদন হয়েছে। ১ কোটি ৭৫ লক্ষ টাকা সরকার মঞ্জুর করেছে। কোনদিকে বিল্ডিং করা হবে সেটা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

তৈমূর বলেন, প্রধান শিক্ষিকা সহ সকল শিক্ষকমন্ডলীর কাছে একটাই অনুরোধ এই স্কুলটা যেন একটা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে উঠে। আমি যা শুনেছি স্কুলটাতে আগের চেয়ে ভালো লেখাপড়া হচ্ছে। আশপাশের স্কুল থেকে ভালো রেজাল্ট হচ্ছে। আমি উন্নয়নের দায়িত্ব নিচ্ছি। এখন প্রধান শিক্ষিকার নেতৃত্বে যদি আদর্শ স্কুল হিসেবে গড়ে উঠে এটাই আমার কামনা।

Ad Placement 1
Ad Placement 2
Islam's Group