নারায়ণগঞ্জের ৪টি ডিপো থেকে জ্বালানি তেল সরবরাহ অব্যাহত রয়েছে। নতুন সময়সূচী অনুযায়ী প্রতিদিন সকাল ৭ টা থেকে বিকেল ৩ টা পর্যন্ত চলছে এই কার্যক্রম। ডিপোগুলোর নিরাপত্তার দায়িত্বে সেনাবাহিনী, পুলিশ ও আনসার সদস্য মোতায়েন রয়েছে।
বিপিসি থেকে পাঠানো চার্ট অনুযায়ী প্রতিদিন রাজধানী ঢাকাসহ আশেপাশের ১৫টি জেলায় এই ৪ টি ডিপো থেকে প্রতিদিন জ্বালানী তেল সরবরাহ করা হচ্ছে। তবে পহেলা বৈশাখের পর থেকে জ্বালানি তেল সরবরাহ কমেছে।
সিদ্ধিরগঞ্জের পদ্মা ও মেঘনা ডিপোতর তালিকায় দেখা গেছে গত ২ দিন ধরে ডিপোগুলো থেকে ফিলিং স্টেশন, এজেন্ট, মেরিন ডিলার ও শিল্প কারখানায় তেল সরবরাহ কিছুটা কমেছে। ১৫ এপ্রিল পদ্মা ডিপো থেকে রাজধানী ঢাকায় প্রায় ৩ লাখ ২৫ হাজার লিটার অকটেন, ৩১ হাজার ৫০০ লিটার পেট্রোল ও ৬ লাখ ২৩ হাজার ৫০০ লিটার ডিজেল সরবরাহ করা হয়েছে। অথচ ১৬ এপ্রিল ২ লাখ ৫২ হাজার ৫০০ লিটার অকটেন, ২৭ হাজার লিটার পেট্রোল ও ৪ লাখ ৫ হাজার লিটার ডিজেল সরবরাহ করা হয়েছে।
নারায়ণগঞ্জ জেলায় ১৫ এপ্রিল সাড়ে ১৪ হাজার লিটার অকটেন, ৯ হাজার লিটার পেট্রোল ও ১ লাখ ৫৯ হাজার লিটার ডিজেল সরবরাহ করা হয়েছে। ১৬ এপ্রিল ১৮ হাজার লিটার অকটেন, ৯ হাজার লিটার পেট্রোল ও ১ লাখ ৪৫ হাজার ৫০০ লিটার ডিজেল সরবরাহ করা হয়েছে। গাজীপুর জেলায় ১৫ এপ্রিল সাড়ে ৪ হাজার লিটার অকটেন, ৯ হাজার লিটার পেট্রোল ও ১ লাখ ২৬ হাজার লিটার ডিজেল সরবরাহ করা হয়েছে। ১৬ এপ্রিল ৯ হাজার লিটার অকটেন, ১০ হাজার লিটার পেট্রোল ও ১ লাখ ২ হাজার লিটার ডিজেল সরবরাহ করা হয়েছে। মুন্সিগঞ্জে ১৫ এপ্রিল সাড়ে ৪ হাজার লিটার অকটেন, সাড়ে ২২ হাজার লিটার পেট্রোল ও সাড়ে ৫৮ হাজার লিটার ডিজেল সরবরাহ করা হয়েছে। ১৬ এপ্রিল মুন্সিগঞ্জে কোন অকটেন পেট্রোল সরবরাহ করা হয়নি। শুধুমাত্র সাড়ে ৬১ হাজার ডিজেল সরবরাহ করা হয়েছে। একইভাবে অন্যান্য জেলাগুলোতেও জ্বালানী তেলের সরবরাহ কমেছে। একই চিত্র দেখা গেছে মেঘনা ডিপোতেও।
ফিলিং স্টেশন ও শিল্পকারখানার প্রতিনিধিরা বলছেন, তারা চাহিদা অনুযায়ী তেল পাচ্ছেন না। তেল সরবরাহ কম থাকায় অনেক ফিলিং স্টেশন প্রায়ই বন্ধ থাকছে। ফিলিং স্টেশনগুলোতে জ্বালানী তেল নেয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই শেষ হয়ে যাচ্ছে।







































আপনার মতামত লিখুন :