নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে হকার উচ্ছেদ অভিযানে দেখা গেছে আজমেরি ওসমানের ক্যাডারে বির্তকিত সাব্বির হোসেন শহিদ ও গুমের মামলার আসামী সেচ্ছাসেবকদলের শাহাদাত ইসলাম রানা| এতে স্থানীয় এমপি আবুল কালাম ও নাসিকের প্রশাসক সাখাওয়াত হোসেন খানকে সমালোচিত করার পাঁয়তারা দেখছেন বিশ্লেষকরা| আজমেরি ওসমান আস্থাভাজন হিসেবে আলোচিত রয়েছে
সাব্বির হোসেন শহিদ কাশিপুরে সংগঠিত হওয়া জোড়া খুনের মামলার আসামি ছিলেন| এছাড়াও তার বিরুদ্ধে একাধিক মাদকের মামলা রয়েছে|
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এমন চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীরা যদি বিএনপির ছত্রছায়ায় থাকে এবং বিএনপি তাদেরকে গ্রহণ করে নেয় তাহলে সাধারণ মানুষ বিএনপিকে ভোট দিবে কিনা এটা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে| বিএনপির উচিত এমন বিতর্কিতদের দলে না ভিড়িয়ে তাদেরকে আইনের হাতে সোপর্দ করা| কিন্তু বিএনপি করছে তার উল্টোটা| যা বিএনপির লাভের চেয়ে ক্ষতিই বেশি হচ্ছে|
অন্যদিকে ফতুল্লার ইসদাইরের মাহফুজুর রহমান শুভ নামে যুবককে অপহরণ ও হত্যা অভিযোগে মামলায় আসামী হয়েছেন মহানগর সেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক সাখাওয়াত ইসলাম রানা ও তার অনুসারীদের বিরুদ্ধে| অভিযুক্ত সাখাওয়াত রানা পলাতক রয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ|
ফতুল্লা মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আনোয়ার হোসেন বলেন, মামলায় জড়িত সকল আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ| কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না| জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে| এদিকে ৬ এপ্রিল মামলা হলেও সোমবার ১৩ এপ্রিল চাষাঢ়া প্রকাশ্যে দেখা গেছে রানাকে| সেচ্ছাসেবক দলের নেতা-কর্মীদের ঘিরে থাকা রানাকে প্রকাশ্যে দেখে আলোচনা সমালোচনা সৃষ্টি হয়েছে|
জানা গেছে, বিতর্কিত সাব্বির হোসেন শহিদ শহরের ডিআইটি থেকে শুরু করে নিতাইগঞ্জ, বাবুরাইল কাশীপুরের খিলমার্কেট, বাংলাবাজার হোসাইনি নগর, হাটখোলা, আম বাগান, চৌধুরীবাড়ি, শহীদনগর, গোগনগর, পাইকপাড়া, নামাপাড়া, শাসনগাঁও, ভোলাইল হয়ে পঞ্চবটি পর্যন্ত বিশাল এই এরিয়া জুড়ে মাদকের একছত্র নিয়ন্ত্রক| একক নিয়ন্ত্রিত বিশাল এই মাদকের সাম্রাজ্যে হাত বাড়ালেই মিলে গাঁজা থেকে শুরু করে হেরোইন, ইয়াবা, ফেন্সিডিল ও মদ| শুধু মাদকের ডিলারশীপই নয় শহিদের মাধ্যমেই উল্লেখিত এলাকা গুলো জমি দখল, অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায় সহ ছিনতাই ডাকাতি সকল কিছুর নিয়ন্ত্রক এই শহিদ| উল্লেখিত এলাকাগুলোকে যদি অপরাধের ¯^র্গরাজ্য বিবেচনা করা হয় তবে সেই রাজ্যের ¯^ঘোষিত সম্রাট হয়ে উঠেছে এই সন্ত্রাসী ও মাদক ব্যবসায়ী শহিদ|
স্থানীয়রা জানান, তাঁতীপাড়া মোড় থেকে নাগবাড়ি মোড় পর্যন্ত বিভিন্ন ল্যাম্পপোস্ট তারা সিসি টিভি ক্যামেরা স্থাপন করে| এসব অঞ্চল গুলোতে শহিদের মাদক বিক্রির জন্য ৩ থেকে ৪ হাজার লোক নিয়োগ প্রাপ্ত রয়েছে| যাদেরকে প্রতিদিন ২ থেকে ৩ হাজার টাকা চুক্তিতে রাখা হয়েছে| গুঞ্জন রয়েছে রাত ১১টার পর থেকে নাগবাড়ি ডায়াবেটিস হাসপাতালের পেছনে শহিদের অফিসে ফতুল্লা পুলিশের বিভিন্ন সদস্যদেরকেও সেখানে আনাগোনা করতে দেখা যায়|
পুলিশের পরোক্ষ মদদের পাশাপাশি তার রয়েছে রাজনৈতিক নেতাদের ছায়া| পতিত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে এই শহিদকে এলাকায় না দেখা গেলেও বর্তমানে তিনি পুরোদস্তুর একজন বিএনপি নেতা| মহানগর যুবদল নেতা মাজহারুল ইসলাম জোসেফ, নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের সাবেক প্যানেল মেয়র আফরোজা আক্তার বিভা ও দাদা সেলিম এর মাধ্যমে জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি জাকির খানের মিছিল মিটিং সমাবেশে জনবল সাপ্লাই দিয়ে থাকে এই শহিদ| এমনকি আফরোজা আক্তার বিভার সুপারিশেই নিতাইগঞ্জে ট্রাক স্ট্যান্ডে শ্রমিক কমিটির সভাপতি বানানো হয়েছে এই শহিদ| এবার শহিদকে দেখা গেছে নাসিকের প্রশাসক সাখাওয়াত হোসেন খানকে উচ্ছেদ অভিযানে| আজমেরি ওসমানের এই ক্যাডার হকার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে বক্তব্যে দিলো সেটি ছিলো ফটোসেশন এমনতা জানা গেছে|





































আপনার মতামত লিখুন :