News Narayanganj
Bongosoft Ltd.
ঢাকা রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

ত্বকী হত্যায় আজমেরী ওসমানের গাড়িচালক জামশেদ আবারও রিমান্ডে 


দ্যা নিউজ নারায়ণগঞ্জ ডটকম | স্টাফ রিপোর্টার প্রকাশিত: জুন ১৪, ২০২৬, ০৯:০২ পিএম ত্বকী হত্যায় আজমেরী ওসমানের গাড়িচালক জামশেদ আবারও রিমান্ডে 
আজমেরী ওসমানের গাড়িচালক জামশেদ

নারায়ণগঞ্জের আলোচিত তানভীর মুহাম্মদ ত্বকী হত্যা মামলায় অভিযুক্ত আজমেরী ওসমানের গাড়িচালক জামশেদ শেখকে আবারও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুইদিনের রিমান্ডে নিয়েছে তদন্তকারী সংস্থা র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটেলিয়ন (র‌্যাব)। রোববার (১৪ জুন) দুপুরে ৫ দিনের রিমান্ড চাইলে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ইয়াসির আরাফাতের আদালত ২ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেনছ

আদালত পুলিশের পরিদর্শক আব্দুস সামাদ বলেন, গত ৪ জুন আদালতে পাঁচদিনের রিমান্ড আবেদন করে র‌্যাব। শুনানি শেষে আদালত দুইদিনের রিমান্ডে আবেদন মঞ্জুর করেন। কিন্তু র‌্যাব তিন কার্যদিবসের মধ্যে আসামিকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের কার্যক্রম সম্পন্নে ব্যর্থ হলে পুনরায় আবেদন করলে রোববার আদালত তা মঞ্জুর করেন।

এর আগে ২০২৪ সালের আগস্টে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ১১ সেপ্টেম্বর জামশেদ শেখকে (৩৮) গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। একইদিন তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাঁচদিনের রিমান্ডে পায় র‌্যাব। দেড় বছর পর একই মামলায় তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আবারও রিমান্ডে নিয়ে তদন্তকারী সংস্থাটি।

এর আগে ২০১৩ সালের ৬ মার্চ বিকেলে নারায়ণগঞ্জ শহরের শায়েস্তা খাঁ সড়কের বাসা থেকে বেরিয়ে স্থানীয় একটি পাঠাগারে যাবার পথে নিখোঁজ হন ১৭ বছর বয়সী কিশোর তানভীর মুহাম্মদ ত্বকী। দুইদিন পর ৮ মার্চ শীতলক্ষ্যা নদীর কুমুদীনি খাল থেকে ত্বকীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

এ ঘটনায় সদর মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন নিহতের পিতা এ শহরের আলোচিত সাংস্কৃতিক ও নাগরিক আন্দোলনের নেতা রফিউর রাব্বি। তার অভিযোগ, নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য শামীম ওসমান, তার ছেলে ইমতিনান ওসমান অয়ন, ভাতিজা আজমেরী ওসমান এবং তাদের সহযোগীরা মিলে ত্বকীকে অপহরণের পর নির্মমভাবে হত্যা করেছে।

জামশেদ ছিলেন শামীম ওসমানের ভাতিজা আজমেরী ওসমানের গাড়িচালক। র‌্যাবের তদন্তে ত্বকী হত্যার সঙ্গে তার জড়িত থাকারও নাম উঠে এসেছিল। ত্বকী হত্যার এক বছরের মাথায় র‌্যাবের ফাঁস হওয়া তদন্ত প্রতিবেদন অনুসারে, আজমেরী ওসমান ও তার সহযোগীরা ত্বকীকে অপহরণ ও নির্যাতন করে হত্যা করে। এরপর তার মরদেহ শীতলক্ষ্যা নদীতে ফেলার জন্য যে গাড়িতে রাখা হয়েছিল, সেই গাড়ি চালিয়েছিলেন জামশেদ।