বন্দরে নবীগঞ্জ বাগে জান্নাত মাদ্রাসা ও বসত বাড়ীতে চুরির ঘটনায় জনতা কর্তৃক আটককৃত ২ চোরের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে।
গৃহবধূ আঁখি আক্তার বাদী হয়ে গত শনিবার (১১ জুলাই) আটককৃত ২ চোরসহ অজ্ঞাত ২/৩ জনকে আসামী করে বন্দর থানায় এ মামলা দায়ের করেন।
আটককৃত চোরেরা হলো বন্দর থানার নবীগঞ্জ রোড পূর্বপাড়া এলাকার মৃত আমির হোসেন মিয়ার ছেলে সুমন (৪৫) ও একই থানার নবীগঞ্জ কবরস্থান রোড এলাকার রাজ্জাক মিয়ার ছেলে সাব্বির (২০)।
আটককৃতদের গত শনিবার (১১ জুলাই) দুপুরে উল্লেখিত চুরি মামলায় আদালতে প্রেরণ করেছে পুলিশ।
এর আগে গত শনিবার ১১ জুলাই রাত ১২টা ২০ মিনিট হতে ৫ টার মধ্যে যে কোন সময়ে বন্দর থানার নবীগঞ্জ পূর্বপাড়া ও নবীগঞ্জ বাগে জান্নাত মাদ্রাসায় এ চুরির ঘটনাটি ঘটে।
মামলা ও বাদিনীর তথ্য সূত্রে জানা গেছে, গ্রেপ্তারকৃত আসামীদ্বয় সঙ্গবদ্ধ চোর চক্রের সক্রিয় সদস্য। আমিসহ আমার পরিবারের লোকজন রাতের খাবার শেষে যে যার রুমে ঘুমিয়ে পড়ি। ওই সুযোগে ধৃত চোরেরা আমার বসত বাড়ীর আঙ্গিনায় থাকা ৪টি পুরাতন লোহার চেয়ার যাহার মূল্য ২ হাজার টাকা, ১টি পুরাতন লোহার টেবিল যাহার মূল্য ৩০০টাকা চুরি করে নিয়ে যায়।
পরবর্তীতে চুরির বিষয়ে আশপাশে খোঁজাখুজির একপর্যায়ে ওই দিন সকাল ৬টা ৫০ মিনিটে আমার প্রতিবেশী বোরহান ও আ. রহমান দ্বয়ের মাধ্যমে জানিতে পারি সকাল অনুমান ৫টা ১০ মিনিটে উপরোক্ত আসামীদ্বয় নবীগঞ্জ বাগ-এ জন্নাত মাদ্রাসা হতে ১টি পুরাতন লোহার গ্রীলের ভাংগা অংশ, পুরাতন ১টি টিউবওয়ালের মাথা, ১টি পুরাতন ভাঙ্গা মাইকের হর্ন চুরি করে নিয়ে যাওয়ার সময় উক্ত আসামীদ্বয়কে স্থানীয় লোকজন আটক করার সংবাদ পেয়ে আমি সেখানে গিয়ে দেখি স্থানীয় লোকজনদের মারধরে আটককৃতরা আহত অবস্থায় আছে।
পরবর্তীতে স্থানীয় লোকজনের উপস্থিতিতে উপরোক্ত আসামীদ্বয়কে জিজ্ঞাসাবাদে তাহারা আমার বাড়ী হতে লোহার চেয়ার ও টেবিলে চুরির বিষয়ে স্বীকার করে এবং আসামীদ্বয়ের নিকট হতে আমার বাড়ি হতে চুরি যাওয়া লোহার চেয়ার ও টেবিল উদ্ধার করি।
আটক আসামীদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় তাদের সাথে থাকা অজ্ঞাতনামা সহযোগী চোর সহ রাতের বেলায় বিভিন্ন বাসাবাড়ী, অফিসে চুরি করে বেড়ায়। উক্ত ঘটনার বিষয়ে থানা পুলিশকে সংবাদ দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে উদ্ধারকৃত আলামত ও আটককৃত আসামীদ্বয়কে তাদের হেফাজতে নেয়।




































আপনার মতামত লিখুন :