সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার বলেন, বাড়িওয়ালা অভিযোগ করে মাসদাইর এলাকা এখন ভাড়াটিয়ারা থাকতে চায় না। অবস্থা এরকম হয়েছে। পুলিশ মার খায় এটা কষ্ট লাগে। যে এলাকা নিরাপদ ছিলো সেখানে পুলিশ মার খায়। পুলিশ মার খেলে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা কোথায়? এখানে ষ্পেশালভাবে নজরদারি করা উচিত। এখানে বিশেষ টিম গঠন করে অভিযান পরিচালনা করার জন্য সরকারের কাছে অনুরোধ জানাই।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি এসব কথা বলেন। তৈমূর আলম খন্দকার বলেন, প্রধানমন্ত্রী বলেছে নারায়ণগঞ্জে মাদকের স্পট আছে। তারপরও প্রশাসনের কান গরম হয় না। মাদক ব্যবসায়ীদের কিভাবে উচ্ছেদ করেছে এটা নারায়ণগঞ্জবাসী জানে। এখন নারায়ণগঞ্জ চাঁদাবাজি আর মাদক ব্যবসায়ীদের অভয়ারণ্য হয়ে গেছে। কোনো চাঁদাবাজ ধরা হয় না। চাঁদাবাজ আটকা পড়লে সই দিয়ে চলে আসে।
তিনি আরও বলেন, নারায়ণগঞ্জের প্রথম পঞ্চায়েত প্রথা চালু হয়েছিলো মাসদাইর এলাকায়। আমি কমিটির সভাপতি ছিলাম। সেই কমিটির শপথ পড়িয়েছিলেন তৎকালিন নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক হাবিবুর রহমান ও পুলিশ সুপার। পুলিশ মুসলিম একাডেমীর সামনে বসা থাকতো আর আমরা ভিতরে বসে বিচার করতাম। একদম সোজা হয়ে গিয়েছিলো; এলাকায় কোনো মাদক ছিলো না। অস্ত্রবাজদের ধরে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়েছিলো। আমি নিজে অস্ত্র উদ্ধার করে থানায় দিয়েছি।
তৈমূর বলেন, এখন উৎসাহ পাই না; কারণ আমার ভাই সাব্বির আলম খন্দকারকে মেরে ফেললো; চেম্বার অব কমার্সের সেক্রেটারী স্বাক্ষী দিলো না। যাদের কথা শুনে এজাহার লিখলাম তারা স্বাক্ষী দিলো না। সবাই ভয় পেলো তাহলে আর উদ্যোগ নিয়ে কি হবে? এটা ২৪ ঘণ্টা লাগার কথা নয় মাসদাইর এলাকা নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য। আর সব ঘটনা ঘটে বেগম রোকেয়া খন্দকার দুই স্কুলের চিপায়। ছাত্র-ছাত্রীরা অভিযোগ করে; শিক্ষকরা অভিযোগ করে; অভিভাবকরা অভিযোগ করে বলে আপনি আগের মতো সোচ্চার হোন। স্কুলের সামনে হেঁটে যাবে সেই সাহস করার কথা না। কিন্তু উৎসাহ পাই না; ভাই মেরে ফেলেছে কারও সহযোগিতা পেলাম না। অনেক সাংবাদিক যারা খুনী তাদের জনপ্রিয় বানিয়ে দিলো। তাহলে আমাদের আর দরকার কি? যখন সোচ্চার হবো তখন ২৪ ঘণ্টা লাগবে না।





































আপনার মতামত লিখুন :