নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আবদুল্লাহ আল আমিন বলেছেন, চাষাঢ়া, পঞ্চবটি এবং সাইনবোর্ডে অটো সিএনজি স্ট্যান্ডে চাঁদাবাজি হচ্ছে। এটা শক্ত হাতে আমাদের বন্ধ করতে হবে। আমরা কোনভাবেই চাই না কেউ আইন হাতে তুলে নেক। এখানে উপস্থিত রাজনৈতিক দলের নেতারা চাঁদাবাজির বিষয়ে শক্ত কথা বলছেন। আমি চাই লোকাল পর্যায়ে চাঁদাবাজদের যেক কেউ প্রটেকশন না দেয়। আইন শৃঙ্খলা বাহিনীকে শক্ত হতে হবে। চাঁদাবাজি করতে চাইলে কেউ হাত পা নিয়ে ফিরতে পারবে না এমন শক্ত অবস্থানে গেলে কেউ সাহস দেখাবে না। আইনীভাবে তাদের মোকাবেলার অনুরোধ করছি।
রোববার নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আয়োজিত মাসিক আইন শৃঙ্খলা কমিটির বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমপি আল আমিন এই মন্তব্য করেন।
লিংক রোডে অপরাধীদের আইনের আওতায় আনার বিষয়ে আবদুল্লাহ আল আমিন বলেন, ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোডে অপরাধীদের আনাগোনার ব্যাপারে আগেও আমি কথা বলেছি। বিজিবির কর্মকর্তারা জানিয়েছিলেন তারা অভিযান চালাবে। পাশাপাশি পুলিশও টহল দিচ্ছে। এটি জোড়দার করা প্রয়োজন। এছাড়া লিংক রোডের বেশ কয়েকটি স্থানে ময়লা ফেলা হয়। এই বর্জ্যের দুর্ঘন্ধের কারনে সাধারণ মানুষ সেই স্থানটিতে চলাচল করতে চায়না। জনশূন্য থাকার সুযোগে সেখানে অপরাধীরা অপরাধ সংগঠিত করে। বিষয়টি প্রশাসনকে গুরুত্বের সাথে দেখার অনুরোধ করবো।
এনসিপির এই সংসদ সদস্য বলেন, জুলাই মাস চলছে। আমাদের দেশের কয়েকটি স্থানে জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভতে কিছু বিশৃঙ্খলার ঘটনা ঘটছে। আমাদের এখানে এমন কিছু হয়নি এবং আমি চাইও না এমন কিছু ঘটুক। সেখানে পুলিশের একটি টিম সার্বক্ষনিক ডিউটিতে থাকে। কিন্তু তাদের কোন ওয়াশরুম নেই। তারা বেশ কষ্ট করছেন। আমি অনুরোধ করবো সেখানে ওয়াশরুমের ব্যবস্থার পাশাপাশি পুরো স্মৃতিস্তম্ভের এরিয়াতে দেয়াল এবং গেট স্থাপন করার জন্য।
পরিবেশ অধিদপ্তরের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বিরোধী দলীয় এমপি বলেন, আমাদের নারায়ণগঞ্জের রোলিং মিলগুলোর ধোয়ার কারনে মানুষের অনেক সমস্যা হচ্ছে। কোন এলাকায় গেলে সেখানকার বাসিন্দারা বলে তাদের শ্বাসকষ্টের সমস্যা হচ্ছে। গাছপালা মরে যাচ্ছে। রোলিং মিল পরিচালনার বৈধ লাইসেন্স থাকা মানেই ইচ্ছেমত বায়ু দূষণ করা নয়। এই বিষয়ে অবশ্যই ব্যবস্থা নিতে হবে। এরা যখন ধোঁয়া ছাড়ে তখন পুরো এলাকা কুয়াশায় আচ্ছন্ন হয়ে যায়। সাধারণ বাসিন্দাদের সাথে মিল মালিকদের বিবাদ শুরু হয়। যেটা আইন শৃঙ্খলার সাথে কানেক্টেড।
সরকারের খাল খনন প্রকল্পের দুর্নীতি রোধে শক্ত অবস্থান নেয়ার সুপারিশ করে আল আমিন বলেন, সম্প্রতি সরকার একটি ভালো প্রজেক্ট হাতে নিয়েছে, সেটা হচ্ছে খাল খনন প্রজেক্ট। এই খাল খনন যেন ভালোভাবে বাস্তবায়ন হয় সেই বিষয়ে আমাদের সচেতন থাকতে হবে। খাল খনন মানে মাটি কেটে গভীর করতে হবে। কেবল ভেকু দিয়ে কচুরি নাড়াচাড়া করে টাকা নিয়ে যেতে দিতে পারিনা। এখানে দুর্নীতি হচ্ছে যেটা আমাদের ধরতে হবে এবং তদারকি করতে হবে।


































আপনার মতামত লিখুন :