নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্র ফেডারেশনের সভাপতি সাইদুর রহমান নিখোঁজ বা গুম হয়নি। তিনি পারিবারিক ও ব্যক্তিগত কারণে মানসিকভাবে ভয়ানক বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছিলেন এবং কাউকে না জানিয়ে চট্টগ্রাম চলে যান। তার সাথে কোনোপ্রকার মোবাইল ফোন বা যোগাযোগ মাধ্যম না থাকায় তিনি পরিবার কিংবা রাজনৈতিক সহযোদ্ধাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেননি।
তিনি জানিয়েছেন, মানসিক বিপর্যস্ত অবস্থায় হিতাহিতজ্ঞান হারিয়ে তিনি এসকল কার্যক্রম করে পরবর্তীতে দায়িত্ব উপলব্ধির দরুণ সে শহরে ফিরে এসে নিজ বাসস্থানের দিকে যান। পথিমধ্যে একজন বন্ধুর সাথে সাক্ষাৎ হলে তার মোবাইল ফোন মারফত তিনি যোগাযোগ করেন এবং বাসার পথে আছেন বলে জানিয়েছেন। পরবর্তীতে, তাকে বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের জেলা কার্যালয়ে নিয়ে আসা হয়।
১৯ জুন শুক্রবার আনুমানিক রাত ৮টা থেকে বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি ছাত্রনেতা সাইদুর রহমান নিখোঁজ হন। নিখোঁজের পর পরিবার ও সংগঠনের পক্ষ থেকে সম্ভাব্য সকল জায়গায় সন্ধান করেও তাঁর কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।
পরবর্তীতে নিখোঁজের ৪৮ ঘণ্টা পর নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয় এবং প্রশাসন তাদের মতো করে তদন্ত শুরু করে।
২২ জুন রাত আনুমানিক সাড়ে ৯টায় সাইদুর রহমান তাঁর নিজ বাড়িতে ফিরে আসেন এবং মোবাইল ফোনে সংগঠনের নেতৃবৃন্দকে বিষয়টি অবহিত করেন।
খবর পেয়ে নিখোঁজ জিডির বাদী ও গণসংহতি আন্দোলন নারায়ণগঞ্জ জেলার সমন্বয়কারী তরিকুল ইসলাম, ছাত্র ফেডারেশনের সাবেক জেলা সভাপতি ফারহানা মানিক মুনা এবং বর্তমান সাধারণ সম্পাদক সৌরভ সেনসহ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ তাঁকে বাসা থেকে জেলা কার্যালয়ে নিয়ে আসেন।
সভায় সাইদুর রহমানের মানসিক সুস্থ্যতায় প্রয়োজনীয় সাংগঠনিক পদক্ষেপ নিশ্চিতের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। পাশাপাশি উদ্ভুত পরিস্থিতিতে তার মানসিক প্রশান্তি ও চিকিৎসায় মনযোগী হওয়ার লক্ষ্যে সাংগঠনিকভাবে সাময়িক ছুটি প্রদান করা হয়।

































আপনার মতামত লিখুন :