সারা দেশে মাজারে হামলা ও বাউল শিল্পীদের উপর অব্যহত হামলা ও আক্রমণের প্রতিবাদে এবং বাউল শিল্পী আবুল সরকারের মুক্তির দাবিতে ৩০ নভেম্বর বিকেলে নারায়ণগঞ্জ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে বাউল শিল্পী ও অলি-আউলিয়ার ভক্ত আশেকানবৃন্দ নারায়ণগঞ্জ জেলার আয়োজনে এক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সংগঠনের সভাপতি ইউনুস ভান্ডারীর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক ফরিদ আহমদ বাধনের সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব রফিউর রাব্বি, বাংলাদেশ দরগাহ্-মাজার ঐক্য ফাউন্ডেশনের সম্পাদক সালাহউদ্দিন দেওয়ান, জাতীয় সুফি জাগরণ পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা আল্লামা রফিকুল ইসলাম বাঙ্গালী, গণসংহতি আন্দোলনের জেলা সমন্বয়ক তরিকুল সুজন, নারায়ণগঞ্জ সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি মনি সুপান্থ, সাধারণ সম্পাদক দীনা তাজরিন, বাউল শিল্পী রাসেল দেওয়ান, ফকির শাহজালাল প্রমুখ।
রফিউর রাব্বি বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানের পরে সারা দেশে দুই শতাধিক মাজার-খানকায় হামলা-ভাংচুর ও অগ্নি সংযোগ করা হয়েছে, আজ সারা দেশে বাউলদের উপরে হামলা করা হচ্ছে, কবর থেকে লাশ তুলে পুরিয়ে ফেলা হচ্ছে তৌহিদি জনতার ব্যনার নিয়ে এক শ্রেণির উগ্রবাদী গোষ্ঠী ইসলাম রক্ষার নামে এ অরাজকতা করে যাচ্ছে। বিগত সরকারের আমলে ভিন্ন মতকে দমনের যে ফ্যাসিবাদী পদ্ধতি ছিল আজকে তা নতুন মোড়কে চলছে। মব তৈরি করে মানুষের মৌলিক অধিকারকে পদদলিত করছে। ইসলাম শান্তির ধর্ম হলেও এক শ্রেণির উগ্রবাদীগোষ্ঠী দেশে ও সারা বিশ্বে অন্য ধর্মাবলম্বীদের কাছে ইসলামকে বর্বর-জঙ্গিদের ধর্ম হিসেবে পরিচিত করছে। কিন্তু পরিতাপের বিষয় বর্তমান সরকার এদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা না নিয়ে এদের সাথে আপস করে পরিস্থিতিকে ভয়াবহ করে তুলছে। চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থান বৈষম্য বিলোপের দাবিতে, কিন্ত অভ্যুত্থানের পরে বৈষম্য বৃদ্ধি পাচ্ছে। সরকারের নিরবতা দেশকে আরও বিপজ্জনক করে তুলছে যা পতিত ফ্যাসিবাদকে ফিরিয়ে আনার পরিস্থিতি তৈরি করছে।
সমাবেশে বক্তারা বাউলদের নিরাপত্তা দেয়ার ও তাদের উপর আক্রমণের সাথে জড়িতদের বিচার দাবি করেন।








































আপনার মতামত লিখুন :