ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর নারায়ণগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজ এর কোঅপ্ট সভাপতি হওয়ার মধ্য দিয়ে আলোচনা এসেছিলেন মাসুদুজ্জামান মাসুদ ওরফে মডেল মাসুদ। এর নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জ চেম্বার অব কমার্সের নির্বাচনে সভাপতি হওয়ার খায়েশ থেকে বিরোধে জড়িয়ে ছিলেন কিং মেকার খ্যাত মোহাম্মদ আলী ও বিকেএমইএ এর সভাপতি হাতেমের সাথে। তবে শেষ পর্যন্ত চেম্বারের নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়ে নিজের মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নেন। চেম্বার সভাপতি হতে না পেরে টার্গেঠ নেন নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের এমপি হওয়ার। সেই লক্ষ্যে তিনি সকল কিছু গুছিয়ে এনেছেন বিএনপির স্থানীয় নেতাদের বিভিন্ন প্রলোভনে কাছে টেনে নিজস্ব বলয় তৈরি করে মহানগর বিএনপির অঘোষিত দিকপাল হয়ে উঠতে শুরু করেছিলেন। কেন্দ্র থেকে প্রাথমিকভাবে মনোনয়নও বাগিয়ে এনে ছিলেন। কিন্তু বিধিবাম তার এমপি হওয়ার খায়েশও পূরণ করতে পারেন নাই। ২০২৫ সালের ১৬ ডিসেম্বর নিজেই তিনি নির্বাচন করবেন না বলে সরে দাঁড়ান। এবার তিনি নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র হবেন বলে মাঠে নেমেছেন।
এমপি মনোনয়ন ভাগিয়ে নেওয়ার লড়াইয়ে যেভাবে তিনি ধীরে ধীরে মাঠে নিজেকে উপস্থাপন করে ছিলেন এবারো তিনি মেয়র প্রার্থী হওয়ার পূর্বে একই ভাবে নিজেকে উপস্থাপন করতে শুরু করেছেন।
গত বছর রজমান মাসেও তিনি শহর এবং বন্দরে বিভিন্ন এলাকায় গরু মাংস বিতরণের মধ্য দিয়ে নিজেকে মেলে ধরতে শুরু করেছিলেন। এবারে গরুর মাংস দিয়ে শুরু করেছেন।
ওই বছর ১১ মার্চ বিকেলে মডেল মাসুদের দেওয়া গরুর মাংস বিতরণ করতে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছিলেন বন্দর উপজেলার কৃষকদলের সদস্য সচিব ও মহানগর কৃষক দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. সেলিম মাহমুদ।
মুছাপুর ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের মনোয়ার হোসেন, ইকবাল হোসেন, দেলোয়ার হোসেন, রোমান ও আবু হানিফ সহ অজ্ঞাত আরো ২০/২৫ জন এ হামলা চালিয়ে ছিলেন। এ ঘটনায় বন্দর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের হয়েছিলো।
এ বছরেও আসন্ন নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন ঘিরে গরুর মাংস রাজনীতিতে আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে শহর-বন্দরে। ইতোমধ্যে বন্দর শেষে শহরে ওয়ার্ডগুলোতে গরু গোস্ত নিয়ে ছুটছেন কাঙ্ক্ষিত মেয়র প্রার্থী নিজস্ব বলয়ে নেতানেত্রীরা। এতে আবারো আলোচনা উঠে এসেছেন নব্য বিএনপিতে যোগদানকারী শিল্পপতি মাসুদুজ্জামান মাসুদ।
শহরের ১৪নং ও ১৫নং ওয়ার্ডে গরুর গোস্ত বিতরণের মাধ্যমে আলোচনা নাম উঠেছেন তিনি। আসন্ন সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচনে তিনি মেয়র প্রার্থী হচ্ছেন এমনতা জানিয়েছেন সম্ভাব্য কাউন্সিলর প্রার্থীরা।
এর আগে ১২নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর শওকত হাসেম শকু একাধিক বার মডেল মাসুদুজ্জামান মাসুদের উদ্যোগে রোজা সামগ্রী বিতরণ করেছেন। তার ওয়ার্ডের অসহায় পরিবারের মধ্যে গরুর গোস্ত বিতরণের মাধ্যমে শুরু হয়।
বন্দরের ২২নং ওয়ার্ডের সম্ভাব্য কাউন্সিলর প্রার্থী অ্যাডভোকেট শরিফুল ইসলাম শিপলু উপস্থিতিতে মাসুদুজ্জামান মাসুদের উদ্যোগে গরুর গোস্ত বিতরণ করেছেন।
নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপি ১৪নং ওয়ার্ডের সভাপতি ও কাউন্সিলর প্রার্থী দিদার খন্দকারে মাধ্যমে মাংস বিতরণ করেছেন।
১২নং ওয়ার্ডে সাবেক কাউন্সিলর শওকত হাশেম শকুর মাধ্যমে গরুর মাংস বিতরণ করেছেন।





































আপনার মতামত লিখুন :