News Narayanganj
Bongosoft Ltd.
ঢাকা সোমবার, ০৯ মার্চ, ২০২৬, ২৫ ফাল্গুন ১৪৩২

ফতুল্লা বিএনপির নেতারা চাঁদাবাজ! মন্তব্য জমিয়ত নেতার


দ্যা নিউজ নারায়ণগঞ্জ ডটকম | স্টাফ রিপোর্টার প্রকাশিত: মার্চ ৮, ২০২৬, ১১:১৬ পিএম ফতুল্লা বিএনপির নেতারা চাঁদাবাজ! মন্তব্য জমিয়ত নেতার

চাঁদাবাজ, ভূমিদস্যু, তেলচোর, মাদক ব্যবসায়ীদের নিয়ে নির্বাচনের প্রচারণা চালিয়েছিলেন নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে জমিয়তের প্রার্থী মনির হোসেন কাসেমী। ভোটারদের মধ্যে এ নিয়ে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। কিন্তু ওইসব অপরাধীদের পাশেই বসে থাকতেন জমিয়তের নেতা ফেরদাউসুর রহমান। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে শামীম ওসমানের ছোট ভাই পরিচয়ে সিটি করপোরেশনের তখনকার মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভীর হাত পা ভেঙে শীতলক্ষ্যায় ভাসিয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া ফেরদাউসুর প্রকাশ্য নৌকার নির্বাচন করেছেন। শামীম ওসমানের ডানহাত খ্যাত শাহ নিজামের ডেরায় বসে আওয়ামী লীগ বন্দনা করে সময় পার করেছেন। এবার তিনি বিএনপির বিরুদ্ধে লেগেছেন। বিএনপির নেতারা বলছেন, শামীম ওসমানের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে এবার বিএনকি বিতর্কিত করার মিশনে নেমেছেন ফেরদাউসুর রহমান।

সম্প্রতি তিনি বলেছেন, ‘ফতুল্লা থানা এলাকাতে আধিপত্যের লড়াই চলছে। আমরা রাস্তায় থাকতে পারি না। মানুষ আমাদের জিজ্ঞাসা করে আমাদের পাশে নাকি চাঁদাবাজরা বসে থাকে। ফতুল্লায় বিএনপির কেউ নির্বাচন ঘিরে বহিস্কার হয়েছেন আবার কেউ বহিস্কার প্রত্যাহার করেছেন। আমরা কিন্তু এখন আর বসে থাকবো না। প্রয়োজনে তাদের ছবি দিয়ে পোস্টার সাটিয়ে দিব। প্রতিরোধ করে দিব। প্রয়োজনে আবারো আপনাদের বহিস্কার করা হবে। ফতুল্লায় যত বড় নেতাই হোন না কেন ছাড় দেওয়া হবে না। সাবধান হয়ে যান। আপনাদের সাথে আমার নির্বাচনী জোট হয়েছিল কিন্তু চাঁদাবাজীর টেন্ডার কিন্তু দেই নাই।

ফেরদাউসুর রহমানের বক্তব্যে দুইজনকে ইঙ্গিত করা হয়েছে বেশ জোরেসারে। ওই দুইজন হলেন রিয়াদ চৌধুরী ও মনিরুল আলম সেন্টু। এ দুইজনকে ভোটের আগে বহিস্কারাদেশ প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়। ফতুল্লায় চৌধুরী কারখানা পুড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়েছিল। বছরখানেক আগে এক ডাইং কারখানা মালিককে হুমকির অভিযোগে মামলায় তিনি কারাভোগ করেছিলেন। পরে বিএনপি তাকে বহিস্কার করেন।

কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে নারায়ণগঞ্জের সাইনবোর্ড এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। তখন আন্দোলনকারীদের উপর হামলা ও গুলি ছোড়ার নির্দেশ দেন কুতুবপুরের চেয়ারম্যান মনিরুল আলম সেন্টু। ওই ঘটনায় তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলাও হয়েছে। তাকেও ভোটের আগে বহিস্কারাদেশ থেকে মুক্ত করে দেওয়া হয়।