News Narayanganj
Bongosoft Ltd.
ঢাকা রবিবার, ০২ আগস্ট, ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩

এনসিপি বিরোধী বিএনপির সমাবেশে উপস্থিতি কম


দ্যা নিউজ নারায়ণগঞ্জ ডটকম | স্টাফ রিপোর্টার প্রকাশিত: আগস্ট ২, ২০২৬, ১০:১০ পিএম এনসিপি বিরোধী বিএনপির সমাবেশে উপস্থিতি কম

নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির উদ্যোগে এনসিপির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার বিকেলে নগরীর হোসিয়ারি সমিতি ভবনের সামনে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। এতে মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব আবু আল ইউসুফ খান টিপুর নেতৃত্বে দলের একাংশের নেতাকর্মী অংশ নেন। তবে এনসিপি বিরোধী এই কর্মসূচী ব্যাপক ভাবে ফ্লপ করেছে। সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিলে লোকসংখ্যা ছিলো খুবই কম। যা নিয়ে রীতিমতো হাসাহাসি করছেন এনসিপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

সম্প্রতি এনসিপির জুলাই পদযাত্রায় সহিংসতা তৈরী হয় বিএনপি এবং এনসিপির মধ্যে। এনসিপি নেতা নাসিরউদ্দিন পাটোয়ারীর বক্তব্যকে কেন্দ্র করে দফায় দফায় হামলা চালানো হয় এনসিপির নেতাকর্মীদের উপর। বেশ কয়েকবার মারধর করেও থামানো যায়নি নাসিরউদ্দিনের মুখ। উল্টো একের পর এক বক্তব্য দিয়েই যাচ্ছে এই নেতা। এমন অবস্থায় প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করে মহানগর বিএনপি। পুরো সমাবেশ জুড়ে এনসিপি ও নাসিরের ব্যাপক সমালোচনা করা হয়। সেই সাথে দেয়া হয় হুশিয়ারি। তেলাপোকার মত পা দিয়ে পিষে মারা হবে, অবাঞ্ছিত ঘোষণা সহ আরও নানান কিছু।

তবে শনিবারের সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিলে উপস্থিতি ছিল বেশ কম। কিন্তু সমাবেশে মহানগর বিএনপির পদধারী নেতাদের অধিকাংশই ছিলেন অনুপুস্থিত। সেই সাথে মিছিলে লোকসংখ্যা ছিলো হাতে গোনা। সব মিলিয়ে জনা ত্রিশেক নেতাকর্মী নিয়ে মিছিল করেন বিএনপি নেতা টিপু। মহানগর বিএনপির অনেক পদধারী নেতাকে কর্মসূচিতে দেখা যায়নি। মিছিলেও অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা সীমিত ছিল।

এই মিছিল ও সমাবেশের উপস্থিতি দেখে রাজনৈতিক বোদ্ধারা বলছেন, এনসিপি বিরোধী কর্মসূচী করতে গিয়ে সুপার ফ্লপ হয়েছে বিএনপির সমাবেশ। উল্টো কর্মসূচির উপস্থিতি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের আলোচনা-সমালোচনা দেখা গেছে। এনসিপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরাও কর্মসূচির উপস্থিতি নিয়ে উপহাসমূলক মন্তব্য করেছেন।

এনসিপির নেতাকরমীরা বলছেন, একদিকে নেই লোকজন। অন্যদিকে আছে কেবল গলাবাজি। নিজেদের জনসমর্থন হারাবার নজির নিজেরাই স্থাপন করেছে এই সুপার ফ্লপ কর্মসুচীর মধ্য দিয়ে। কেবল কর্মীরাই নন, খোদ নেতারাই এই কর্মসূচীতে অংশ নেননি। সব মিলিয়ে ক্ষমতাসীন দলের নেতারা মাত্র পাঁচ মাসেই সুপার ফ্লপ কমিটিতে পরিণত হতে যাচ্ছেন।

স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, প্রত্যাশার তুলনায় উপস্থিতি কম হওয়ায় বিএনপির এ কর্মসূচি সাংগঠনিক শক্তি প্রদর্শনের ক্ষেত্রে কাক্সিক্ষত প্রভাব ফেলতে পারেনি। বিরোধী দলকে সাধারণত ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীরা বিশাল শোডাউন করে নিজেদের শক্তিমত্তা প্রদর্শন করে। স্বাভাবিক ভাবেই এই দেশের রাজনীতিতে ক্ষমতাসীন দলের মিছিল ও সমাবেশ বড় হয়। অন্যদিকে ছোট থাকে বিরোধী দলের মিছিল ও সমাবেশ। কিন্তু এবারই উল্টো চিত্র দেখা গেলো। সবশেষ এনসিপির মিছিল ছিলো শহরজুড়ে দেয়া বড় শোডাউন। আর মহানগর বিএনপির মিছিল ছিলো ক্ষমতাসীন দলে পরিণত হবার পর সবচেয় ক্ষুদ্র মিছিল।