News Narayanganj
Bongosoft Ltd.
ঢাকা শনিবার, ০১ আগস্ট, ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩

বিএনপির ভেতরে কুলাঙ্গার মোনাফেক বেঈমান!


দ্যা নিউজ নারায়ণগঞ্জ ডটকম | স্টাফ রিপোর্টার প্রকাশিত: আগস্ট ১, ২০২৬, ১০:২৯ পিএম বিএনপির ভেতরে কুলাঙ্গার মোনাফেক বেঈমান!

নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র ডাক্তার সেলিনা হায়াৎ আইভী মঙ্গলবার ২৮ জুলাই একটি মামলায় নারায়ণগঞ্জ চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালরে শুনানিতে তার জামিন বহাল রেখেছেন। সেই সাথে মামলাটির বিচার কার্য শুরু হওয়া পর্যন্ত আইভীর পক্ষে তার আইনজীবীরা আদালতে হাজির দেওয়ার অনুমতি প্রদান করেছেন। এ ঘটনায় আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিলেন মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আবু আল ইউসুফ খান টিপু। প্রতিক্রিয়ার মন্তব্যে তিনি বলেন, আইভী যতবারই মেয়র হয়েছে ততবারই হয়তো বিএনপির সমর্থন ও ভোটারদের ভোটে। আবার বিএনপির কিছু কুলাঙ্গারের বেঈমানীর কারণে সাখাওয়াত হোসেনের সাথে সে পাস করে বিজয়ী হয়েছিলেন।

আবু আল ইউসুফ খান টিপুর এমন বক্তব্যের পর বিএনপিতে চলছে তীব্র সমালোচনা। মহানগর বিএনপির সদস্য সচিবের বলা কারা সেই বিএনপির কুলাঙ্গার বেঈমান।

যদিও তিনি কারো নাম উল্লেখ করেননি। কিন্তু উনার এমন তীব্র সমালোচনায় বিএনপির ভেতরে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, টিপুর দেয়া বক্তব্য বিশ্লেষন করলে বুঝা যায় যে বিগত আওয়ামী লীগ ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে সাবেক মেয়র আইভী যতবারই বিজয়ী হয়েছেন এর পেছনে বিএনপির প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ভূমিকা ছিল। কখনো সরাসরি দলের চেয়ারপার্সনের নির্দেশনায় বিএনপির কর্মী সমর্থকেরা আইভীকে ভোট দিয়েছেন গডফাদার শামীম ওসমানকে ঠেকানোর জন্য। কখনো আবার দলের মনোনীত প্রার্থী সাথে গাদ্দারি করে আইভীকে ভোট দিয়ে বিজয়ী করিয়েছেন। টিপু হয়তো মূলত সেই নির্বাচনের ফলাফলকে মাথায় রেখেই বিএনপির কুলাঙ্গার বেঈমান শব্দটি ব্যবহার করেছেন। তবে উনার উচিত ছিল ঢালাও ভাবে না বলে নিদিষ্ট করে নাম প্রকাশ করা সে সময় কারা বিএনপির প্রার্থীর সাথে বেঈমানী করেছিলেন।

উল্লেখ্য, প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করতে গিয়ে টিপু বলেছিলেন,  আইভী যতবারই নির্বাচনে পাশ করেছেন বিএনপির নেতাকর্মীদের ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন এবং বিএনপির ভেতরে কিছু কুলাঙ্গার আছে তারা মোনাফেক বেঈমান। তাদের বেঈমানীর কারণে আইভী পাস করছে। আরেকবার আমাদের দলীয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া সন্ত্রাসী গডফাদার শামীম ওসমানকে ঠেকাতে তৈমুর আলম খন্দকারকে বসিয়ে দিয়েছে সে সুবাধে সে মেয়র হয়েছে। প্রত্যেকবার সে বিএনপির নেতাকর্মী এবং ভোটারদের ভোটে সে মেয়র হয়েছে। তার এমন কোনো যোগ্যতা নাই, রাজনৈতিক ভাবে তার এমন কোনো সক্রিয়তা নেই যে নারায়ণগঞ্জবাসীর তাকে মেয়র বানাইতেই হবে। সে ছাত্র রাজনীতিও করে নাই। ২০০৪ সালে এসে বাপের নামের উপর পৌরসভার চেয়ারম্যান দাঁড়িয়েছে তখন বিএনপির একা অংশের বেঈমানীর কারণে সে মেয়র হয়েছে। পরের বার তৈমুরকে বসানোর কারণে হয়েছে। এরপর সাখাওয়াতের সাথে আমার কাছে খবর আছে সে ১০০ কেন্দ্রে নৌকার সিল মেরে বিজয়ী হয়েছে। এরপরের বার তৈমুর যখন মেয়র হয়েছেন তখন সে বিভিন্ন অপকৌশল খাটিয়ে বিএনপির নেতাকর্মীদের সমর্থন নিয়ে সে বিজয়ী হয়েছেন। তার ব্যক্তিগত ইমেজ এবং আওয়ামী লীগের সমর্থনে কখনো মেয়র হতে পারেনি আর হবেও না।