জুলাই মাসে বন্দর থানায় বিভিন্ন অপরাধে মামলা হয়েছে ৬১টি। এর মধ্যে হত্যা মামলা দায়ের হয়েছে ২টি, ডাকাতি ২টি, চুরি ১৩টি, নারী ও শিশু নির্যাতন ২টি, মাদক ২০টি, সড়ক দুর্ঘটনা ২টি, ও অন্যান্য মামলা হয়েছে ২০টি। এছাড়াও অপমৃত্যু মামলা আরো ৪টি।
২০টি মাদক মামলায় সংশ্লিষ্ট আইন প্রয়োগকারি সংস্থা বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ১০ হাজার ১১৫ পিছ ইয়াবা ট্যাবলেট, ৬ বোতল ফেন্সিডিল ও ৮ কেজি ৭২৫ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করতে সক্ষম হয়।
২০টি মাদক মামলায় ৩৮ জন মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করে আদালতে প্রেরণ করেছে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
বন্দর থানা পুলিশ থানার বিভিন্ন এলাকায় ওয়ারেন্ট তামিল অভিযান চালিয়ে সিআর মামলার ওয়ারেন্ট তামিল ও নিষ্পত্তি মিলে ২০৩ জন ও জিআর মামলার ওয়ারেন্টে তামিল ও নিষ্পত্তি ৮৩ জন।
এছাড়াও সাজাপ্রাপ্ত জিআর ওয়ারেন্টে ৫ জন ও সিআর ওয়ারেন্ট ১৩ জন আসামীকে গ্রেপ্তার করে আদালতে প্রেরণ করতে সক্ষম হয়।
বন্দর থানার ওসি জামাল উদ্দিন জানান, গত জুলাই মাসে বন্দর থানায় দায়েরকৃত ৬১টি মামলার মধ্যে ২০টি মামলাই মাদকের। এই থেকে বুঝা যায় যে বন্দরে মাদক ব্যবসা ব্যাপক ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। মাদকের কারণে বন্দরে বিভিন্ন স্থানে চুরি ও ছিনতাইয়ের ঘটনা অহরহ ঘটছে। মাদক নির্মূলে ও আইন শৃঙ্খলা রক্ষার্থে আমি সকলের সহযোগিতা কামনা করছি। আপনারা আমাকে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করুন। আইন শৃঙ্খলা রক্ষার্থে পুলিশ নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছে।







































আপনার মতামত লিখুন :