News Narayanganj
Bongosoft Ltd.
ঢাকা মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩

ফতুল্লায় থানায় ঢুকে স্লোগান হুমকি এনসিপি নেতার


দ্যা নিউজ নারায়ণগঞ্জ ডটকম | স্টাফ রিপোর্টার প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬, ০৮:১১ পিএম ফতুল্লায় থানায় ঢুকে স্লোগান হুমকি এনসিপি নেতার

নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লার বক্তাবলীতে এনসিপির এক নেতার উপর হামলার ঘটনার পর রাতে থানায় গিয়ে বিক্ষোভ দেখিয়েছে নেতাকর্মীরা। স্থানীয় এমপি আবদুল্লাহ আল আমিনের নেতৃত্বে শতাধিক এনসিপি নেতা স্লোগান দিতে দিতে থানার ওসির রুমে প্রবেশ করে। ওই সময়ে ওসির রুমের বাইরে বক্তব্যে থানার ইট খুলে নেওয়ার পাশাপাশি লাশের বদলে লাশ নেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়।

সোমবার ২৮ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় বক্তাবলী ইউনিয়নের বক্তাবলী বাজার এলাকায় জেলা এনসিপির সহ সাংগঠনিক সম্পাদক তৌহিদুল ইসলামের উপর হামলার ঘটনা ঘটে। তার দাবী বিএনপির ইউনিয়নের সাংগঠনিক সম্পাদক হালিম আজাদের নেতৃত্বে ওই হামলার ঘটনা ঘটে।

হামলার পর রাতে ফতুল্লা মডেল থানায় যান তৌহিদুল। তিনি লিখিত অভিযোগ দেন। রাত ১১টায় নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের এমপি আবদুল্লাহ আল আমিন থানার গেটে এসে গাড়িতে করে নামেন। ততক্ষণে সেখানে এনসিপি ও এর সহযোগি সংগঠনের শতাধিক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। তারা স্লোগান দিতে থাকেন। ইনকিলাব জিন্দাবাদ, রক্তের বন্যায় ভেসে যাবে অন্যায় সহ নানা ধরনের স্লোগান দেন। এমপির বহর সরাসরি ওসির রুমে ঢুকে যান। সেখানেও এনসিপির নেতারা ওসিকে ভর্ৎসনা করেন।

পরে জেলা এনসিপির আহবায়ক যুবাইর সরদার ওসির রুমে বাইরে এসে বক্তব্য ধরেন। বলেন, আমি যুবাইর সরদার জেলা এনসিপির আহবায়ক। আমার নেতাকর্মীর গায়ে যদি আঘাত করে আহত করে তাহলে থানার ইট খুলে নিব। লাশের বদলে লাশ নিব।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এনসিপি নেতারা তখন বেশ উগ্র মেজাজ দেখান। এভাবে থানার ভেতরে ঢুকে হুমকির বিষয়টি দৃৃষ্টিকটু। সন্ধ্যায় অভিযোগের পর মামলা রুজুর একটি প্রক্রিয়া থাকে। কিন্তু সেটার আগেই থানায় ঢুকে এবাবে হুমকি প্রদান শোভনীয় না।

জেলা এনসিপির আহবায়ক জুবায়ের সরদার বলেন, বক্তাবলীতে আমাদের একটি ঘরোয়া বৈঠক ছিলো। বিকেলে বক্তাবলী ঘাটে নামার পর এলাকার লোকজন আমাদের বলে আমরা কেন এই এলাকার অবৈধ মাটি কাঁটা নিয়ে প্রতিবাদ করছি না? তাদের কথা শোনার পরপরেই নেতাকর্মীরা মিলে পুলিশ ফাঁড়িতে উপস্থিত হই এবং মাটি কাটার সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার অনুরোধ জানাই। সন্ধ্যায় তৌহিদকে একা পেয়ে ১০/১৫ জন মিলে অতর্কিত হামলা চালায়। দেশীয় অস্ত্র ব্যবহার করে তার মাথা ফাটিয়ে দেয়।

তৌহিদ বলেন, হালিম আজাদের নেতৃত্বে তার ভাই ইয়াসিন আরাফাত, সহযোগী নয়ন, ইমন, জুয়েল, আবুল খায়ের সহ কয়েকজন আমাকে চাপাতি, এসএস পাইপ দিয়ে বেধড়ক মারধর করে। আমার সাথে আমার কয়েকজন ছোটভাই ছিলো, তারা বাধা দিতে আসলে তাদেরও মারধর করেছে।