সারাদেশে আওয়ামী লীগের নৈরাজ্য ও সহিংশতা ঠেকাতে নারায়ণগঞ্জে পাড়া মহল্লাকেন্দ্রীক নেতাকর্মীদের তালিকা করা হচ্ছে। সরকারের একাধিক সংস্থা এটা নিয়ে কাজ করছে। বিএনপির শীর্ষ নেতারাও এ সংক্রান্ত তালিকা করে প্রশাসনের কাছে জমা দিবে। বিশেষ করে বিগত সময়ে এলাকার যেসব নেতাকর্মীরা বেশী তৎপর ও বর্তমানে এলাকার বাইরে অবস্থান করে নাশকতা করছে তাদের তালিকাতে প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে।
এদিকে নারায়ণগঞ্জ শহর ও শহরতলীর বিভিন্ন এলাকাতে পুলিশের অভিযান বেড়েছে। আওয়ামী লীগের পদধারী ও সহিংশতায় জড়ানো নেতাকর্মীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে তল্লাশী শুরু হয়েছে। চব্বিশের আন্দোলনের পর থানায় দায়ের করা মামলাগুলোকে প্রাধান্য দিয়ে আসামীদের ধরতে তৎপরতা বাড়ানো হয়েছে।
অপরদিকে গোয়েন্দা নজরদারীও বাড়ানো হয়েছে। সম্প্রতি ফতুল্লার মাসদাইরে মিছিলের সময়ে অভিযান চালিয়ে পুলিশ হাতেনাতে গ্রেপ্তার করেছে। এছাড়া বন্দরেও মিছিলের প্রস্তুতির সময়ে পুলিশ হানা দেয়।
গোয়েন্দা নজরদারীর কারণে সম্প্রতি নারায়ণগঞ্জ শহর ও শহরতলীতে মিছিল কমে গেছে।
পুলিশের একটি সূত্র জানান, সারাদেশে আওয়ামী লীগের তৎপরতা বেড়ে গেছে। এরই মধ্যে তাদের নেত্রী ডিসেম্বরে ফেরার ঘোষণার পর আওয়ামী লীগের অনেকেই বেপরোয়া হয়ে নৈরাজ্য শুরু করেছে। এ কারণেই ধরপাকড় বেড়েছে। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের মোবাইল ফোন ট্র্যাকিং ও মামলা দেখে দেখে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। আগামীতে এটা জোরদার হবে।


































আপনার মতামত লিখুন :