দলের প্রয়োজনে দুবাই থেকে ফিরে নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপিতে রাজপথের প্রথম সারিতে ছিলাম। বিগত ১৫ বছর পুলিশী নির্যাতন অত্যাচার হামলা মামলা দীর্ঘ সময় কারাগারে বন্দি হয়েও বিএনপিকে ছাড়ি নাই। সরকার বিরোধী আন্দোলনে স্ত্রী সন্তান পরিবার ছেড়ে বহুদিন বাহিরে ও জেলে বন্দি ছিলাম। প্রয়াত আমাদের প্রিয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সব জেনেই আমাকে মহানগর বিএনপির বার বার দায়িত্ব তুলে দিতেন। পদ নয় কর্মী হয়ে নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপি রাজনীতি করতে চাই। দল চাইলে দেশে ফিরে মহানগর বিএনপির রাজনীতিতে করতে প্রস্তুত রয়েছি।
নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির সভাপতি পদে আলোচনা প্রশ্নে যুক্তরাষ্ট্র থেকে মুঠোফোনে তিনি এসব কথা বলেন।
এটিএম কামাল আরো বলেন, বিগত ফ্যাসিষ্টদের বিরুদ্ধে ১৭ বছরের আন্দোলন সংগ্রমে আমি সহ আমার পরিবার কতটুকু নির্যাতিত তা আপনারা সকলেই জানেন। এই নির্যাতনের কারণে শারীরিকভাবে বিভিন্ন সমস্যায় ভুগছি। এসকল চিকিৎসা এখন আমেরিকায় চলমান। আমি একজন সাধারণ রাজনৈতিক কর্মী দলের প্রয়োজনে যে কোন সময় দেশে ফিরতে প্রস্তুত রয়েছি। আপনাদের ভালবাসা ও মায়ায় আজ এখানে বহু দূর থেকে ছুটে এসেছি। আমার পরিবারের জন্য সকলে দোয়া চাই।
সভাপতি হওয়ায় গুঞ্জনে এটিএম কামাল বলেন, প্রতিদিন প্রতি মূহূর্তে আমাকে জেলা মহানগর বিএনপির একাধিক নেতাকর্মীরা ফোন করে অনেক তথ্য দিচ্ছে। মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পদে দীর্ঘ সময় দায়িত্ব পালন করেছি। অভিযোগহীন রাজনীতি করেছি, কখনো দলের বিরুদ্ধে কাজ করেনি। আমি যখন রাজপথে ছিলাম তখন প্রয়াত নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া সহ অনেক সিনিয়র নেতারা দেখেছেন। তারা আজকে দুনিয়াতে না থাকলেও এটিএম কামাল বিএনপিতে কি ছিলেন এখনো শীর্ষ নেতারা জানেন, এটাই আমার সফলতা। যুক্তরাষ্ট্রে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগমনে রাজপথে ছিলাম দেশ-বিদেশের অনেক নেতারা আমাদের এটিএম কামাল বলে ডেকেছে- গর্বে বুক ভরে গেছে। সভাপতি হয়ে মহানগর বিএনপিতে রাজনীতি করতে এমন কোন কথা নয়, দল যদি মূল্যায়ন করেন প্রতিদান দিতে দেশে ফিরতে প্রস্তুত রয়েছি।

































আপনার মতামত লিখুন :