সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে নির্বাচন কমিশনে দাখিলকৃত হলফনামা অনুযায়ী নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে বিএনপি থেকে মনোনয়নপত্র নেওয়া আবু জাফর আহম্মেদ বাবুল পেশায় একজন ব্যবসায়ী। তার বিরুদ্ধে একটি মামলা রয়েছে। বাড়ি থেকে বাৎসরিক আয় ২ লাখ ৭৭ হাজার ২০০ টাকা এবং ব্যবসা থেকে ৭০ হাজার টাকা। তার নিকট নগদ অর্থের পরিমাণ ৩ লাখ ২৭ হাজার ১৯২টাকা, স্ত্রীর নিকট নগদ অর্থের পরিমাণ ৩৩ লাখ ৬১ হাজার ৯৪৭ টাকা। দুইজনের নিকট রয়েছে ১০০ ভরি স্বর্ণ। রয়েছে ২ লাখ টাকা মূল্যের ১২ বোর গান এবং ৪লাখ ৫০ হাজার টাকা মূল্যের একটি পিস্তল। তার অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ ২ কোটি টাকা এবং স্ত্রীর ১ কোটি টাকা। স্থাবর সম্পদের পরিমাণ ৬ কোটি টাকা এবং স্ত্রীর সম্পদের পরিমাণ ৩ কোটি টাকা। বিভিন্ন ব্যাংকে তার ঋণের পরিমাণ প্রায় ১০৮ কোটি টাকা। তবে নিজের নামে নেই কোনো বাড়ি। তার মোট সম্পদের পরিমাণ ৯ কোটি ২৮ লাখ ২৫ হাজার ৪৭০ টাকা, স্ত্রীর মোট সম্পদের পরিমাণ ২ কোটি ৭৩ লাখ ৯৮ হাজার ৪৩৭টাকা এবং সন্তানের নামে রয়েছে ৩২ লাখ ২১ হাজার টাকা।
এদিকে প্রায় ১০৮ কোটি টাকা ঋণের ব্যাখা দিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে বিএনপি থেকে মনোনয়নপত্র নেওয়া আবু জাফর আহম্মেদ বাবুল।
তিনি বলেছেন, হলফনামায় প্রায় ১০৮ কোটি টাকা ঋণ উল্লেখ আছে কিন্তু সেখানে বিস্তারিত না থাকায় জনমনে কিছুটা বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়েছে। যেহেতু আমাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আছে সেহেতু বিদেশে পণ্য রপ্তানি ও আমদানীর জন্য আমাদের এলসি খুলতে হয়। যেটা ঋণ দেখানো হয়েছে সেটা মূলত এলসির বিপরীতে নিরাপত্তা মূলক বরাদ্দকৃত ঋণ। স্বাভাবিকভাবে যেটাকে ঋণ বলা হয় এটা সে অর্থে ঋণ নয়। ব্যাংকে এলসি খোলার জন্য ১০৮ কোটি লিমিট দিয়েছে শুধু। এটা আমার এলসি লিমিট বরাদ্দ। এই টাকা আমার ব্যবহার করতে হয় না। এটা একটি চলমান প্রক্রিয়া।


































আপনার মতামত লিখুন :