নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাবেক এমপি অ্যাডভোকেট আবুল কালাম বিজয়ী করতে বিএনপির প্রায় সকল গ্রুপ থেকে ঐক্যের সুবাতাস বইতে শুরু করেছে। পৃথক দুটি অনুষ্ঠানে মাসুদুজ্জামান মাসুদ এর অনুসারী সাবেক কাউন্সিলর ও মহানগর বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শওকত হাশেম, মহানগর যুবদলের সাবেক সভাপতি মাকসুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ ও মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন খান এর বক্তব্যে ধানের শীষে প্রার্থী অ্যাডভোকেট আবুল কালামকে বিজয়ী করতে ঐক্যবদ্ধ ভাবে কাজ করার ইঙ্গিত দিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার ১ জানুয়ারি সকালে শহরের মিশনপাড়া এলাকায় ১২নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর কার্যালয় প্রাঙ্গণে বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে রুহের মাগফেরাত কামনা করে দোয়া শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণের আয়োজন করেন সাবেক কাউন্সিলর শওকত হাশেম শকু। যেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আবু আল ইউসুফ খান টিপু। আরো উপস্থিত ছিলেন মহানগর যুবদলের সাবেক সভাপতি ও সাবেক কাউন্সিলর মাকসুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ, মহানগর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুস সবুর খান সেন্টু, যুগ্ম আহ্বায়ক আনোয়ার হোসেন আনু, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক সাখাওয়া হোসেন রানা সহ অন্যান্যরা। যারা সকলের মাসুদুজ্জামান মাসুদের পক্ষে নির্বাচনের মাঠে নেমেছিলেন।
ওই শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে শওকত হাশেম শকু বলেন, যেহেতু ১২ ফেব্রুয়ারি আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন। সেই নির্বাচনে আমরা সকলে ধানের শীষের প্রার্থীকে জয়ী করার জন্য একযোগে কাজ করবো এবং মাসুদুজ্জামান মাসুদ ভাইয়ের নেতৃত্বেই আমরা সকলে মাঠে নামবো। আমাদের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জন্য দোয়া চাই আল্লাহ যেন উনাকে বেহেস্ত নসিব করেন।
অপরদিকে মহানগর যুবদলের সাবেক সভাপতি মাকসুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ বলেছেন, আপনারা সবাই জানে মাসুদুজ্জামান মাসুদ ভাই বিএনপির প্রার্থী ছিলেন এবং দলীয় সিদ্ধান্তেই উনি নির্বাচন মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নিয়েছেন এবং তিনি ঘোষণা দিয়েছেন যেকোন কিছুর বিনিময়ে হোক আমাদের ধানের শীষের বর্তমান প্রার্থী অ্যাডভোকেট আবুল কালাম ভাইকে বিজয়ী করতে হবে। অতএব আমরা আপনাদের সকলের কাছে আগামী ফেব্রুয়ারি মাসে নির্বাচনে আবুল কালাম ভাইয়ের জন্য ধানের শীষ প্রতীকে ভোট চাই।
অন্যদিকে একই দিন বিকেলে বাংলাদেশ হোসিয়ারী অ্যাসোসিয়েশন কার্যালয়ের সামনে মহানগর যুবদলের উদ্যোগে আয়োজিত বেগম খালেদা জিয়া রুহের মাগফেরাত কামনা করে দোয়া অনুষ্ঠানে একই ইঙ্গিত দিয়েছেন মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান।
তিনি বলেন, গত ১৭ বছরে আমাদের বিএনপির নেতাকর্মীদের যে পরিমান নির্যাতন করা হয়েছে তার থেকেও বেশি নির্যাতন করা হয়েছে জিয়া পরিবারের সদস্যদের। কিন্তু আমাদের নেতা তারেক রহমান দেশে ফিরে এবং আমাদের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া মুক্তি পাওয়ার পর যারা উনাদেরকে নির্যাতন করেছেন তাদের নিয়ে একটি কটু বাক্যও বলেনি। আমাদের তাদের মত ধৈর্য্যশীল হতে হবে। তাদের পথ অনুসারন করতে হবে। জনগণের পক্ষে থাকতে হবে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে সেই নির্বাচনে বিএনপি এবং জোটের পক্ষ থেকে যে প্রার্থী দেওয়া হবে সেই প্রার্থীকে বিজয়ী করে আনার দায়িত্ব আমাদের নিতে হবে। আমরা সকল বিভেদ ভুলে গিয়ে আমরা দেশের পক্ষে, দলের পক্ষে এবং বিএনপির পক্ষে কাজ করবো।
মহানগর যুবদলের আহ্বায়ক মনিরুল ইসলাম সজলের সভাপতিত্বে ওই দোয়ায় প্রধান বক্তা ছিলেন মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আবু ইউসুফ খান টিপু, সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুস সবুর খান সেন্টু, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মনির খান, যুগ্ম আহ্বায়ক আনোয়ার হোসেন আনু, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শওকত হাশেম শকু, মহানগর যুবদলের সাবেক সভাপতি মাকসুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ। দোয়া পরিচালনা করেন মহানগর যুবদলের সদস্য সচিব শাহেদ আহম্মেদ।


































আপনার মতামত লিখুন :