নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র ও জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভীর সমর্থকদের মধ্যে ফের গ্রেপ্তার আতংক বিরাজ করছে। গত বছর ৯ মে দেওভোগের নিজ বাড়ি চুনকা কুটির থেকে গ্রেপ্তার হয়ে কাশিমপুর মহিলা কারাগারে বন্দি রয়েছেন আইভী। ওই দিন সকালে পুলিশের কাছে বাধা দেয়া সংঘর্ষ ঘটে, পরিবর্তিতে আইভীর ঘনিষ্ট সহ আওয়ামীলীগ নেতা-কর্মীদের নামে মামলা করেন সদর থানা পুলিশ। এই মামলা সাংবাদিক ও ইউটিউবার ব্যক্তিরাও দীর্ঘ সময় জেল খাটেন। দীর্ঘ সময়ের পর গত ১৫ জানুয়ারি রাতে দেওভোগ আইভী বাড়ি সামনে থেকে তার নাসিকের ঠিকাদার শহর যুবলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি কামরুল হুদা বাবু ও আরেক ঠিকাদার মোতালেব মাষ্টারকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এরপর বৃহত্তর দেওভোগ সহ আশেপাশে এলাকায় তার ঘনিষ্টজনদের মধ্যে গ্রেপ্তার আতংক বিরাজ করছে।
একাধিক সূত্রে জানা গেছে, প্রতি বৃহস্পতিবার চুনকা কুটিতে দরবার শরীফের দোয়া আয়োজন করা হয়। ১৫ জানুয়ারি বাবু ও মোতালেব সহ একাধিক আইভী ঘনিষ্টজন সহ সমর্থকরা দরবারে উপস্থিত হয়েছিলেন। দোয়া শেষে বাসা থেকে বের হওয়া সময় বাবু ও মোতালেবকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে যায় পুলিশ। বাবু ও মোতালেবের বিরুদ্ধে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের একাধিক মামলায় আসামী হয়েছেন।
আইভীর ঘনিষ্ট নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সুফিয়ান, আইভী ছোট ভাই শহর যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আহাম্মদ আলী রেজা উজ্জল সহ একাধিক ঘনিষ্ট নামে মামলা রয়েছে।
এলাকা সূত্রে জানা গেছে, মেয়র আইভী গ্রেপ্তার হলেও তার বাড়িতে ঘনিষ্টজন ঠিকাদার ও রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের আনা গোনা ছিলো। বৃহস্পতিবার গ্রেপ্তার হওয়া পর থেকে সেই যাত্রা দিনে দিনে কমে গেছে। গ্রেপ্তার হওয়ার আতংকে এখন চুনকা কুটিতে ভিড় করছে না কেউ। এরপর আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী একাধিক টিম এলাকা ঘোরাফেরা দেখা গেছে।


































আপনার মতামত লিখুন :