বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের চারটি মামলা রয়েছে। এছাড়াও চাঁদাবাজি, হত্যাসহ ১৬ মামলার আসামী। একাধিকবার গ্রেপ্তার হয়ে কারাভোগ করেছেন। বিতর্কিত সেই নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার বক্তাবলী ইউনিয়ন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আব্দুর রশিদকে দেখা গেল জমিয়তের এমপি প্রার্থী মনির হোসাইন কাসেমীর পাশে। সম্প্রতি ফতুল্লার একাধিক কর্মসূচীতে রশিদ ও কাসেমীকে একত্রে দেখা গেছে।
২০২৫ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার দুপুরে তাকে বক্তাবলী কার্যালয় (ইউনিয়ন পরিষধ) থেকে গ্রেফতার করে।
ওই সময়ে পুলিশ জানান, রশিদের বিরুদ্ধে বৈষম্য বিরোধী চারটি মামলা রয়েছে। এসব মামলায় তিনি জামিন নেননি। তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাকে ফতুল্লা থানায় দায়ের করা ইয়াসিন হত্যা মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে প্রেরণ করা হয়।
এর আগে ২০২৪ সালের ২১ অক্টোবর চট্টগ্রামের সীতাকুন্ড থানার ফৌজদারহাট বাইপাস মোড় এলাকায় র্যাব-১১ ও র্যাব-৭ যৌথ অভিযানে রশদি মেম্বারকে আটক করা হয়।
হাসিনা সরকারের আমলে ফতুল্লা থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এর লোক পরিচয়ে নানা অপকর্ম করে বেড়িয়েছে। ওই সময় সরকারি দলের নেতাদের সাথে আতাত করে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিল। হাসিনা সরকারের পতনের পর শওকত আলী চেয়ারম্যান এর ব্যবসা প্রতিষ্ঠান দখল, সাইফউল্লাহ বাদলের মার্কেট দখল, সাইদুরের মাছের খামার, বক্তাবলী ফেরি ঘাট সহ পূর্ব গোপালনগর এলাকায় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের বাড়িতে লুটপাট সহ গরু সহ নিয়ে যায়। অনেকের দোকান পাট বন্ধ করে দেয়। এছাড়াও বক্তাবলী ইটভাটার মালিকদের কাছ থেকে চাঁদাবাজি সহ ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিল।
শেষ পর্যায়ে রশিদ মেম্বার ক্ষমতার দেখিয়ে তার বাহিনীর লোকজন নিয়ে তার আপন মামা বাদল মিয়ার তেলের পাম্প দেখল করতে গিয়ে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। পরে রশিদের আপন মামা রশিদ মেম্বারকে উত্তম মাধ্যম দেয়। তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে। বাদল মিয়া বাদী হয়ে রশিদ মেম্বারের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি মামলা দায়ের করে।


































আপনার মতামত লিখুন :