ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নারায়ণগঞ্জ-৪ (ফতুল্লা-সদর) আসনে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের মনোনয়ন পাওয়া বাংলাদেশ জমিয়তে উলামা ইসলামের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মুফতি মনির হোসাইন কাসেমীর সাথে শুরু থেকেই বিতর্কিত লোকদের দেখা যাচ্ছে। নির্বাচনী প্রচার প্রচারণায় তার পাশে দেখা মিলছে ভূমিদস্যু, সন্ত্রাসী ও মাদক ব্যবসায়ীদের।
তারই ধারাবাহিকতায় এবার মুফতি মনির হোসাইন কাসেমীর সাথে দেখা মিলেছে কাজী শামীম তারেক। এই কাজী শামীম তারেক সৃজন হাউজিংয়ের মালিক। প্রতারণার অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছিলো। আওয়ামী লীগ সরকারে সময়ে তিনি শামীম ওসমানের পক্ষে ভোট চাইতেন। এখন তিনি মুফতি মনির হোসাইন কাসেমীর পক্ষে ভোট চাইছেন।
জানা যায়, কুতুবপুর ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডে কাজী শামীম তারেক সমাবেশের আয়োজন করে। আর এই সমাবেশে হাজির হয়েছিলেন মুফতি মনির হোসাইন কাসেমী।
এর আগে গত ৫ ফেব্রুয়ারি নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের বিএনপি জোট প্রার্থী মুফতি মনির হোসেন কাসেমী খেজুর গাছ প্রতীকের কাশিপুরে এলাকায় গণসংযোগকালে তার সঙ্গে দেখা যায় বহুল আলোচিত জোড়া খুন মামলার আসামী, কথিত মাদক ব্যবসায়ী ও সন্ত্রাসী শহীদকে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, শহীদ কাশিপুর এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে ইট-বালু ব্যবসা, ড্রেজার কার্যক্রম ও মাদক বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ করে আসছে। বাড়ি নির্মাণসহ বিভিন্ন কাজে জোরপূর্বক চাঁদা আদায়ের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এসব কর্মকান্ড পরিচালনায় তার আলাদা ক্যাডার বাহিনী রয়েছে বলেও দাবি স্থানীয়দের।
তার আগে কুতুবপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান ও ৪, ৫ ও ৬ নং ওয়ার্ডের মহিলা সদস্য অনামিকা হক প্রিয়ার দেখা মিলছিলো মনির হোসাইন কাসেমীর পক্ষে। অনামিকা বিভিন্ন প্রচারণায় গিয়ে হাজির হচ্ছেন। যিনি শামীম ওসমানের ঘনিষ্ট সহযোগি শাহ নিজামের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত ছিলো। এই অনামিকা হক প্রিয়া আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে শাহ নিজামের পক্ষ থেকে শামীম ওসমানের নির্বাচনী প্রচারণা চালাতেন। সেই সাথে বিভিন্ন সময় আওয়ামী লীগ সরকারের সুবিধাভোগী ছিলেন।
এদিকে কুতুবপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মনিরুল আলম সেন্টুকে নিজের করে নেন মনির হোসাইন কাসেমী। তার প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ প্রচেষ্টায় নিয়মের বাইরে গিয়ে বিএনপিতে ফিরিয়ে নেয়া হয় এই সেন্টুকে।
































আপনার মতামত লিখুন :