সব ঠিক ঠাক থাকলে পবিত্র ঈদ উল ফিতরের পর জামিন আবেদন করা হবে কারাগারে বন্দি নাসিকের সাবেক মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভীর। তিনি ইতোমধ্যে নিজ বলয়ে নেতাকর্মী ও সমর্থকদের কাছে আসন্ন নাসিকের নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী হওয়ার বার্তা পৌছে দিয়েছেন। ১১টি মামলা আসামী হয়ে কারগারে থাকলেও বেশিভাগ মামলা হাইকোর্ট থেকে জামিন ইতোমধ্যে পেয়েছেন। ছাত্র-জনতা আন্দোলনের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে গোপনে কোন ভূমিকা না থাকা সত্বেও ১১টি মামলা আসামী করা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে আইভী সমর্থকরা। তার মধ্যে ১০ মাস যাবৎ স্বজনরা আইভী সাথে দেখা করার সুযোগ পায়নি কেউ। কারাগারে নিয়ম মেনে শীর্ষ পর্যায়ে নেতাদের সাথে যোগাযোগ রেখেছেন আইভী জানা গেছে।
২০২৪ এর পর ১৯ আগষ্ট আইভী নাসিক মেয়র পদে অপসারণ করা হয়। এরপর থেকে তিনি দেওভোগ পিতা চুনকা কুটিরতে অবস্থান করেন। এতে প্রতিদিন দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের আনাগোনা থাকার অভিযোগ করেন বিএনপি সহ অঙ্গসংগঠনের নেতারা। এরপরও তাকে গ্রেপ্তার না করায় বিরোধীরা ক্ষোভ প্রকাশও করেছিলেন। ২০২৫ এর মে মাস শুরুতে হঠাৎ চিকিৎসা জন্য দেশ ছাড়েন সাবেক রাষ্ট্রপতি আব্দুর হামিদ। তার এমন দেশত্যাগে পুরো চাপে পড়েন বাড়িতে থাকা আইভীর উপর। ৯ মে বিকাল থেকে ভোর পর্যন্ত তাকে গ্রেপ্তার করার জন্য পুলিশ চারিদিক ঘিরে রাখেন। এর পর তিনি ভোরে পুলিশের কাছে গ্রেপ্তার হয়ে কারাগার বরণ করেন। তিনি যাবার আগে আবারো দেখা হবে বলে বার্তা দিয়ে যান।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আইভীর আস্থাভাজনরা একটি দলের প্রতি সমর্থন দিয়ে গোপনীয়তা ছিলেন। যার কারণে ওই দলের তার এক বন্ধুও মনোনয়ন পেয়ে ছিলেন। কিন্তু সময়ে কারণে তাকে পরিবর্তন করা পর আইভী সমর্থকরা থমকে পড়েন। এদিকে বিএনপি সরকার গঠনের পর সিটি কর্পোরেশনগুলোতে দলীয় নেতাদের প্রশাসক নিয়োগ দেন। যার কারণে দ্রুত সময়ে নির্বাচন আভাস সৃষ্টি করেন ইসি।
এমন বার্তা শুরুতে আইভী আবারো নাসিকের মেয়র প্রার্থী হওয়ার জন্য তোড়জোড় লাগেন তার নিজ বলয়ে নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে। কারাগারে থেকে বা জামিনে বের হয়ে নির্বাচন অংশ নিতে ইতোমধ্যে আইভীর সেই বন্ধু মাধ্যমে মাঠ গোছাচ্ছন বলে একাধিক সূত্রে জানা গেছে। এতে আইভী বিগত সময়ে নির্বাচনে শুভাকাঙ্ক্ষিরা ওই বন্ধু বিভিন্ন কর্মসূচীতে অংশ নিচ্ছেন। এসব দিক বিবেচনায় আইভী আগামীতে আবারো সিটি করপোরেশনে লড়বেন মনে করছেন অনুসারীরা।


































আপনার মতামত লিখুন :