News Narayanganj
Bongosoft Ltd.
ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর, ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩

আন্দোলনে উস্কানি এনসিপির


দ্যা নিউজ নারায়ণগঞ্জ ডটকম | স্টাফ রিপোর্টার প্রকাশিত: নভেম্বর ৫, ২০২৬, ১০:২২ পিএম আন্দোলনে উস্কানি এনসিপির

নারায়ণগঞ্জে গত কয়েকদিনের শ্রমিক আন্দোলনের পেছনে আওয়ামী লীগকে দায়ী করে আসছিল বিএনপি। প্রশাসনের শীর্ষ স্থানীয় কর্র্মকর্তারাও বলছেন একটি গোষ্ঠী পেছন থেকে কলকাঠি নাড়ছে। আন্দোলন আর সহিংশতার কারণে যখন অনেক পোশাক কারখানার ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে তখন শ্রমিকদের উস্কে দিচ্ছেন এনসিপির নেতারা। দলের স্থানীয় এমপি আব্দুল্লাহ আল আমিন আন্দোলনে স্বশরীরে উপস্থিত না থেকে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে পরিস্থিতিকে আরো জটিল করে দিচ্ছেন। অপরদিকে দলের নেতাকর্মীরাও ফতুল্লা শিল্পাঞ্চলে গিয়ে শ্রমিকদের পক্ষে কথা বলে আগুনে ঘি ঢালছেন।

সোমবার থেকে বুধবার পর্যন্ত ধারাবাহিক আন্দোলন চলে। সোমবার সহিংশতা না ঘটলেও মঙ্গলবার ও বুধবার ছিল উত্তপ্ত পরিস্থিতি। শ্রমিকদের নিবৃত্ত করতে কাদানে গ্যাস ও টিয়ার সেল নিক্ষেপ করা হয়। আহত হয় অনেকে। গ্রেপ্তার হয়েছে কয়েকজন। মামলা করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার রাতে ফতুল্লা শিল্পাঞ্চলে গিয়ে ফটোসেশন করে এনসিপির নেতারা। জেলার সভাপতি যুবাইর সরদার, মহানগরের সভাপতি শওকত আলী সহ স্থানীয় নেতারা সেখানে গিয়ে গণমাধ্যমের সামনে বক্তব্য দেন। তারা শ্রমিকদের পক্ষ নেন। এছাড়া কয়েকজন এনসিপি নেতা শ্রমিকদের সঙ্গেও কথা বলে তাদের দৃঢ় থাকার আহবান রাখেন।

অপরদিকে একই কাজ করছেন আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতা। তারাও ফতুল্লা শিল্পাঞ্চলের বিভিন্ন কারখানার ভেতরে শ্রমিকদের নানাভাবে সাহস দিচ্ছেন আন্দোলন চালিয়ে যেতে।

তবে আগুনে ঘি ঢালার মত অবস্থা করেছেন নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের এমপি এনসিপি নেতা আব্দুল্লাহ আল আমিন। তাকে তিনদিন দেখা না গেলেও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কড়া লিখেছেন। তবে তিনি যেখন পোস্ট করেন তার আগেই সরকার জানিয়েছেন মজুরী বোর্ড আগামী ডিসেম্বরে নতুন মজুরী নির্ধারন করে দিবে যা জানুয়ারী হতেই কার্যকর হবে। সরকারের এ সিদ্ধান্তকে যখন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা সাধুবাদ জানাচ্ছেন তখনই আল আমিন পুরো আন্দোলনের জন্য বিকেএমইএ সভাপতি মোহাম্মদ হাতেমকে দায়ী করেছেন।

বলেছেন, এই আন্দোলনে আওয়ামী লীগের ইন্ধন ও অংশগ্রহণ আছে। কিন্তু এর দায় কার? আওয়ামী ট্যাগ দিয়ে প্রকৃত শ্রমিকের দাবীকে অস্বীকার করা যাবে না। সারা বছর লীগের লোকজনকে শেল্টার দিয়ে আন্দোলনের সময় লীগের জুজুর দেখালে হবে না। নারায়ণগঞ্জের আন্দোলনে আওয়ামী লীগ সুযোগ পাওয়ার কারণ, বিকেএমইএ সভাপতি মো.হাতেম। একজন লীগের দোসর ওসমানদের দালালকে পদে বসিয়ে রেখে লীগকে ঠেকাবেন কিভাবে? সে নিজেই-আওয়ামী লীগ। প্রশাসন যদি জুলাইয়ে খুনী হাসিনার পক্ষ নেয়া হাতেমের বিরুদ্ধে অ্যাকশন নেয় তাহলেই লীগের ইন্ধন কমে যাবে। সর্ষের মধ্যে ভ‚ত বসায়া রেখে রাজপথে লীগ খোঁজার কোনো মানে হয় না। আমি বিএনপির নেতৃবৃন্দকেও বারবার বলেছি, শিল্প মালিকদের সংগঠনে হাতেমের মতো লীগের দোসর বসায়া রাখলে সরকারই বিপদে পড়বে।