প্রতিপক্ষের সন্ত্রাসীদের ধাওয়াতে খালে পড়ে যান সাহেব আলী। সেখানে পানিতে ডুবে নিজেকে রক্ষার চেষ্টা করেন। কিন্তু উপরে থাকা একজন সন্ত্রাসী পিস্তল হাতে একের পর এক গুলি ছুড়তে থাকেন। পরক্ষণে পাশে থাকা ইট দিয়ে থেতলে দেন।
সন্ত্রাসীর অস্ত্রের ভয়ে তখন আশেপাশে কেউ এগিয়ে আসতে সাহস করেনি। কিছুক্ষণ পর ছুটে আসেন আরেক সন্ত্রাসী। সেও হাতে থাকা অস্ত্র দিয়ে গুলি ছুড়তে থাকেন। সিসি টিভির ফুটেজে দেখা গেছে, অন্তত চার রাউন্ড গুলি করা হয়।
প্রায় ২ মিনিট অস্ত্রধারীরা সেখানে গুলি করে চলে যান। ততক্ষণে গুলিবিদ্ধ সাহেব আলীকে ঘিরে সৃষ্টি হয় জটলা।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, গুলি করা দুইজন হলেন রনি ও আসলাম। তারা সাহেব আলীর সহযোগি ছিলেন।
সাহেব আলীর বিরুদ্ধে নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন থানায় ২০টি মামলা রয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় রনি এবং রঙ মিস্ত্রি আসলাম নামের সাহেব আলীর দুই সহযোগী একত্রিত হয়ে সন্ধ্যা ৬টার সময়ে বউবাজার এলাকায় সাহেব আলীকে সরাসরি গুলি করেন। ওইসময় হত্যাকারীদের বর্ষিত গুলি তার মাথায় এবং বুকে গিয়ে লাগে। এতে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হলে স্থানীয়রা তাকে তাৎক্ষণিকভাবে ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসি এমদাদুল হক বলেন, বিকেল ৫টার দিকে সিদ্ধিরগঞ্জের আটি এলাকায় অভ্যন্তরীন দ্বন্দ্বে এই ঘটনা ঘটেছে। ঢাকা মেডিকেল কলেজে চিকিৎসাধীন অবস্থায় কিছুক্ষণ আগে মারা গেছেন। তারই এক সহযোগী তাকে গুলি করেন। বিস্তারিত পরে জানানো হবে।






































আপনার মতামত লিখুন :