News Narayanganj
Bongosoft Ltd.
ঢাকা মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩

গাউছিয়াতে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান


দ্যা নিউজ নারায়ণগঞ্জ ডটকম | স্টাফ রিপোর্টার প্রকাশিত: অক্টোবর ১৩, ২০২৬, ০৭:১৪ পিএম গাউছিয়াতে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দের সহযোগিতায় এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপস্থিতিতে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক দখলমুক্ত করতে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকাল থেকে উপজেলার ভুলতা ও গোলাকান্দাইল এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়।

উচ্ছেদ অভিযানে নেতৃত্ব দেন রূপগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এসএম আব্দুল্লাহ বিন শফিক।

উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মেহেদী ইসলাম, রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এএইচএম সালাউদ্দিন, রূপগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি আনোয়ার সাদাত সায়েম, আশরাফুল রিপন, আব্দুল আজিজ মাস্টার, আব্দুল জলিল, আরিফুল ইসলাম ইমন, শাকিল আহমেদ নুরুসহ প্রশাসন ও বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

অভিযান চলাকালে ভুলতা স্কুল অ্যান্ড কলেজের সামনে থেকে গোলাকান্দাইল ও সাওঘাট এলাকা পর্যন্ত ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ফুটপাত দখল করে গড়ে ওঠা অবৈধ স্ট্যান্ড, দোকানপাট ও বিভিন্ন স্থাপনা ভেকু দিয়ে ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। এর আগে এক দিন মাইকিং করে অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। এ কারণে অনেক ব্যবসায়ী নিজেরাই তাঁদের দোকানপাট ও স্থাপনা সরিয়ে নেন। অভিযানের ফলে মহাসড়কের দখলমুক্ত অংশে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়।

রূপগঞ্জ উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ জানান, স্থানীয় সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপুর নির্দেশনায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক দখলমুক্ত রাখতে উপজেলা বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা প্রশাসনকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করবেন।

নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মেহেদী ইসলাম বলেন, এর আগেও একাধিকবার উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়েছে। কিন্তু কিছুদিন পর আবারও ফুটপাত দখল করে দোকানপাট বসানো হয়। এবার রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দসহ সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতায় যাতে নতুন করে কেউ দখল করতে না পারে, সে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ফুটপাত দখলমুক্ত রাখতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কঠোর অবস্থানে থাকবে।

রূপগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এসএম আব্দুল্লাহ বিন শফিক বলেন, মহাসড়ক দখলমুক্ত রাখতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। আপাতত ৪০ জন স্বেচ্ছাসেবী নিয়মিতভাবে এখানে কাজ করবেন। পরবর্তী সময়ে সড়কে ডিভাইডার স্থাপন করে যানবাহন চলাচল আরও সুশৃঙ্খল ও নিরাপদ করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।